গ্যালারি কায়ায় ছয়দিনব্যাপী চিত্র কর্মশালা শুরু
প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:১৪
বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৯ জন শিল্পীকে নিয়ে উত্তরাস্থ গ্যালারি কায়া আয়োজন করেছে একটি ভিন্নধর্মী কর্মশালা ‘প্যাশন এন্ড ইমপ্রেশন’। এই কর্মশালাকে এক অর্থে শিল্পীদের মিলনমেলাও বলা যায়। কারণ, কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের মুখে শিল্প ও শিল্পীর মিলনমেলার কথাই বারবার উঠে আসছিল।
শুক্রবার উত্তরায় ৬ দিন ব্যাপী এই কর্মশালার উদ্বোধনী দিনে সে কথাই বলছিলেন পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী রামেন্দ্র নাথ কস্তা, অতিন বসাক ও জয়ন্ত নসকার।
রামেন্দ্র নাথ কস্তা কথার শুরুতেই জানালেন, এবারই প্রথম তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। যে কারণে শুধু কর্মশালার জন্য নয়, এদেশে আসার গুরুত্বটা তার কাছে একটু বেশি। একটা স্বপ্ন পূরণের মতো। অবশ্য এই দলে আছেন অতিন বসাকও।
কস্তা বললেন, এটাতো শুধু কর্মশালা নয়, দুই দেশের শিল্পীদের মিলনমেলা। আমরা কর্মশালার মাধ্যমে এদেশের শিল্পীদের জানবো, শিখব। এদেশের শিল্পীরাও আমাদের কাছ থেকে জানবে। আদান-প্রদান হবে দুই দেশের শিল্পের।
অতিনও বললেন, একই কথা। সেইসাথে এ ধরনের উদ্যোগকেও স্বাগত জানালেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিল্পী আনিছুজ্জামান বলেন, এ ধরনের কর্মশালার মাধ্যমে দুই দেশের শিল্পীরা কাছাকাছি আসার সুযোগ পাবেন। যা তাদের অভিজ্ঞতাতে সমৃদ্ধ করবে। এ ধরনের আয়োজন উপলক্ষে গ্যালারি কায়া’র পরিচালক গৌতম চক্রবর্তী বলেন, ইচ্ছে আছে আগামীতে আরো এ ধরনের কর্মশালা আয়োজনের। এরপর কর্মশালার চিত্রকর্ম দিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।
বাংলাদেশের ৬ জন ও ভারতের ৩ জন শিল্পীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালা শেষ হবে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি। কর্মশালায় অংশ নেয়া অন্য শিল্পীরা হলেন, আশরাফুল হাসান, নগরবাসী বর্মণ, রাফি হক, শেখ মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান ও সুজিত সরকার।