গাইবান্ধার ৯৮ ইটভাটার মধ্যে ৫৮টি অবৈধ
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৩৬
গাইবান্ধা জেলায় মোট ৯৮টি ইটভাটার মধ্যে ৫৮টি অবৈধভাবে স্থাপন করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এসব ভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে। আবার অবশিষ্ট ৪০টির মধ্যে ৩৭টি ভাটার লাইসেন্স মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ৩১ ডিসেম্বর।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধার সাতটি উপজেলায় মোট ৯৮টি ইটভাটার মধ্যে সাদুল্লাপুর উপজেলায় ১৬টি, ফুলছড়িতে একটি, গোবিন্দগঞ্জে ১৯টি, পলাশবাড়িতে ২৯টি, সুন্দরগঞ্জে ১১টি, গাইবান্ধা সদরে ১৯টি ও সাঘাটায় রয়েছে তিনটি। এরমধ্যে ৫৮টির কোন বৈধ কাগজপত্র নেই। অবশিষ্ট ৪০টি বৈধ ইটভাটার মধ্যে ৩৭টির লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলেও ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এগুলো নবায়ন করা হয়নি। অথচও চলতি মৌসুমে সবগুলো ভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে। সূত্রটি আরো জানায়, ইটভাটা স্থাপনে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, ট্যাক্স ও ভ্যাট পরিশোধের সনদপত্র, আপত্তি নেই মর্মে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের সনদপত্র, ভূমিকর পরিশোধের রসিদ ও জমির মালিকানা অথবা ভাড়ার চুক্তিপত্র জেলা প্রশাসক অফিসে দাখিল করার নিয়ম। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে জেলা প্রশাসন ভাটা স্থাপন ও ইট পোড়ানোর অনুমতি দিয়ে থাকে। এসব কাগজপত্র না থাকায় ৫৮টি ইটভাটার অনুমোদন দেয়নি জেলা প্রশাসন। কিন্তু তারপরও এসব ভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে। উপজেলার সাকোয়া গ্রামের লাইসেন্সবিহীন ভাটা মালিক বাদশা মিয়া জানান, ভাটা মালিক সমিতির মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি এবং ভ্যাট ও ট্যাক্স দিয়েই ইট পোড়ানো শুরু করেছি। এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক ড. কাজী আনোয়ারুল হক জানান, অবৈধ ইটভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। এছাড়া অবৈধ ভাটার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।