জব্দ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটার ওসি সাসপেন্ড

পাথরঘাটা থানার ওসি আজম খান ফারুকীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘুষ গ্রহণ ও জব্দ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হয়। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ শনিবার বরগুনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এসে পৌঁছায় মর্মে পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেছেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর পাথরঘাটার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইদুর রহমানের আদালত ওসির বিরুদ্ধে জব্দ টাকা ফেরত না দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। এর পর গ্রেফতার এড়াতে ওসি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। তবে গত এক সপ্তাহ যাবত্ ওসি আজম খান ফারুকী পাথরঘাটায় অনুপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য,রাজাপুর প্রান্ত ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মোঃ আসলাম ১৭ সেপ্টেম্বর বাদী হয়ে ঘুষ গ্রহণ ও জিম্মানামায় স্বাক্ষর রেখে ৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ফেরত না দেয়ার অভিযোগে ওসির বিরুদ্ধে এ মামলাটি করেন। ইতিপূর্বে আদালত ওসিকে এ বিষয়ে শোকজ করেন। শোকজের জবাব যথাযথ না হওয়ায় আদালত গত ২০ সেপ্টেম্বর পুলিশ আইনের ২৯ ধারায় ওসিকে আদালতে স্বশরীরে হাজির হওয়ার সমনজারি করেছিলেন। ধার্যদিনে ওসি আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। গত ১৮ আগস্ট ঝালকাঠির জিয়া ট্রেডার্সের তেল ভর্তি একটি ট্যাঙ্ক লরি আটক করে পাথরঘাটা থানার ওসি। পরে ম্যানেজারসহ ৩ জনকে ভেজাল পেট্রোল সরবরাহের অভিযোগে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেন। আসামিদের কাছ থেকে লরির তেল বিক্রি বাবদ নগদ ৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ও ৩টি মোবাইল সেট জব্দ করে পুলিশ। পরে জিম্মানামায় স্বাক্ষর রেখে বাদীকে মোবাইল সেট ফেরত দিলেও নগদ টাকা ফেরত না দেয়ার অভিযোগ ওঠে ওসির বিরুদ্ধে।