মেলা বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণ থেকে সরানো ঠিক হবে না
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:২৯
সময় প্রকাশনের প্রকাশক ফরিদ আহমেদ বললেন, এবারের মেলার পরিবেশ খুবই সুন্দর এবং গোছালো। যা মেলায় আগতদের স্বস্তি দেবে। তিনি বললেন, এবার আজেবাজে ভুঁইফোঁড় প্রকাশকরা মেলায় স্থান না পাওয়ায় পাঠকদের প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। তা নাহলে মেলার বাইরে যেসব স্টল ছিল সেখান থেকে পাইরেটেড বই কিনে নিয়ে যেতে হতো তাদের। মেলার পরিসর বাড়ানো এবং মেলাকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সরানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেলাকে কোনভাবেই বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণ থেকে সরানো ঠিক হবে না। এছাড়া নিরাপত্তা এবং মেলা পরিচালনা নিয়েও সমস্যার সৃষ্টি হবে। এছাড়া বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে আয়োজিত হওয়ায় মেলা নিয়ে মানুষের মাঝে এক ধরনের আবেগও কাজ করে। এটাকে নষ্ট করা ঠিক হবে না। তিনি বলেন, এই বইমেলা বায়ান্নর ভাষা শহীদদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা নিবেদন। এই বইমেলা বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সাহিত্যের প্রতীক। বইমেলাকে ঘিরে বাংলাদেশের প্রকাশনা বিকশিত হয়েছে, সৃষ্টি হয়েছে অনেক লেখক। তরুণ লেখকদের জাগরণের মেলা, সাহিত্য সৃষ্টি এবং পাঠকের কাছে পৌঁছে দেয়ার মেলা ‘অমর একুশে বইমেলা’। তাই এই ঐতিহ্য রক্ষা করা প্রয়োজন।
সময় প্রকাশন থেকে ৫০টি নতুন বই প্রকাশ পাবে এবারের মেলায়। এর মধ্যে রয়েছে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ‘ওড়াউড়ীর দিন ২’, মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা’, সেলিনা হোসেনের ‘আগস্টের একরাত’, আনিসুল হকের ‘সেই গুমের পর’, আবুল মাল আবদুল মুহিতের ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’, মুনতাসীর মামুনের ‘মুক্তিযুদ্ধকোষ ১৫ খন্ড’ এবং ‘বাংলাদেশী জেনারেলদের মন’, শামসুজ্জামান খানের ‘জাদুঘর ও অবস্তুজাত উত্তরাধিকার’, আবেদ খানের ‘দেশ কি জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্য হবে’, এইচ টি ইমামের ‘বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫’, আহমদ রফিকের ‘চল্লিশ দশকের বাংলাদেশের কবিতা’, আহসান হাবীবের ‘হুমায়ূন আহমেদ ও ...’ এবং ‘গল্পের জাদুকর’, খালিদ মাহমুদ মিঠুর ‘হুমায়ূন স্যার ও কিছু স্মৃতি’, ফরিদুর রেজা সাগরের ‘কিশোর সমগ্র ৯’, সুমন্ত আসলামের ‘চার প্রিয়তমেষু’ ইত্যাদি।