যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ব্যাখ্যার নির্দেশ
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৩৫
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নিয়ে মন্তব্য করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। গতকাল রবিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেয়া হয়। আদেশে আগামী ১০ দিনের মধ্যে আইনজীবীর মাধ্যমে এ মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
গত ৩১ জানুয়ারি মিসরের রাজধানী কায়রোতে এক অনুষ্ঠানে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাচ্চু রাজাকারের রায় ঘোষণার পর এ সপ্তাহে দ্বিতীয় রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল। আর তৃতীয় বিচারের রায় আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখ ঘোষণা করা হবে। তিনটি পত্রিকায় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর গতকাল রবিবার আসামিপক্ষের আইনজীবী তাজুল ইসলাম মৌখিকভাবে মহীউদ্দীন খান আলমগীরের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনার আবেদন করেন। এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল আদেশে বলে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি সত্যিই এ ধরনের মন্তব্য করেন তাহলে তাকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। ট্রাইব্যুনালের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে এমন বক্তব্য আশা করা যায় না। এতে জনগণের মাঝে ভুল ধারণার জন্ম হয়। এর আগে ট্রাইব্যুনাল মৌখিকভাবে জামায়াতকে সতর্ক করে। আসামিপক্ষের আইনজীবী তাজুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনাল বলে, জামায়াতের নেতারা বিবৃতি দিয়ে ট্রাইব্যুনাল বাতিলের যে দাবি করছেন, তা করতে পারেন। রাষ্ট্রপতি চাইলে ট্রাইব্যুনাল বন্ধ করে দিতে পারেন। ট্রাইব্যুনাল নিয়ে নেতারা রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে পারেন; কিন্তু বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন না। বিষয়টি জামায়াতের নেতাদের জানাতে বলে আসামিপক্ষের আইনজীবীকে ট্রাইব্যুনাল।
এম কে আনোয়ারের আদালত অবমাননা
বিষয়ে শুনানি ২৬ ফেব্রুয়ারি
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আদালত অবমাননার অভিযোগের বিষয়ে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি শুনানি হবে। গতকাল এম কে আনোয়ারের আইনজীবী মুন্সী আহসান কবীর সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল-২ দিন ধার্য করে।
‘ইকোনমিস্টে’র বিরুদ্ধে নোটিসের
শুনানি ৪ মার্চ
লন্ডনভিত্তিক সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্টের’ বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের জারি করা নোটিসের ওপর শুনানির জন্য আগামী ৪ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে। ইকোনমিস্টের পক্ষে ব্যারিস্টার মুস্তাফিজুর রহমান খান সময় চেয়ে আবেদন করলে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ দিন ধার্য করে।