মৌসুমী-শাবনূরকে নিয়ে চলচ্চিত্রে নতুন অংক

দীর্ঘদিনপর আবারও একই চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন চলচ্চিত্রের দুই প্রিয় মুখ মৌসুমী ও শাবনূর। মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের চলচ্চিত্রে তাদের নিয়ে এই চলচ্চিত্র ব্যবসায়িকভাবে কতটা সফল হয় সেটিই এখন দেখার বিষয়। কারণ এমনিতেই চলচ্চিত্রের সফলতার অংকে মৌসুমী ও শাবনুর দুজনই কোনো র্যাংকিংয়ে নেই। এদিকে ফেরদৌস ও মৌসুমী দুজনকেই চলচ্চিত্রের চেয়ে টিভি রিয়েলিটির বিচারক হিসেবেই বেশি ব্যস্ত দেখা যায়। এই অবস্থায় তাদের নিয়ে এই নতুন কেমিস্ট্রি কতটা দর্শক ফেরাবে সেটিই এখন মূল বিষয়। অন্যদিকে শাবনূরকে নিয়ে দীর্ঘদিন একই ধরনের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল তা হলো, তিনি অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী নিবাস গড়েছেন কি না... সিনেমা থেকে বিদায় নেবেন কি না। এমন নানান প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল শাবনূরকে নিয়ে। পাশাপাশি হাতে ছবির খরায় শাবনূর ‘ভালোবাসা সেন্টমার্টিন’সহ বেশ কিছু ছবি করেন কিছু অর্বাচীন নতুন মুখের বিপরীতে। শাবনূরের ভাষায় সেগুলো স্রেফ প্রফেশনের খাতিরেই করা। তাই এই তিন তারকার নতুন এই কেমিস্ট্রির ফলাফলের ওপরেই হয়তো নির্ধারণ হতে পারে, তাদের ছবির বাজারে চাহিদা বর্তমানে কতটুকু রয়েছে। কারণ তিন তারকার কেউ নিজেদের নায়ক-নায়িকার অবস্থান থেকে সরে আসার ভয়ে ভাই-ভাবি বা বাবা-মায়ের চরিত্রে কাজ করেননি। এদিকে মৌসুমী ও শাবনূর যৌথভাবে সর্বশেষ ছবিতে অংশ নিয়েছিলেন সালাউদ্দিন লাভলুর একমাত্র চলচ্চিত্র ‘মোল্লাবাড়ির বউ’ ছবিতে। এরপর দীর্ঘ বিরতির পর একাধিক নতুন মুখের ভিড়ে এই জ্যেষ্ঠ তারকাদের ছবিটি কেমন হবে সেটিই এখন নতুন অংক। তবে প্রযোজক ছবিটিতে চমক হিসেবেই তাদের একসাথে কাস্ট করেছেন। ছবিতে কাজ ও শাবনূর প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, ‘শাবনূরের সাথে তো আমার কোনো সময়ই খারাপ সম্পর্ক ছিল না। তাই একসাথে কাজ করে দুজনই আমরা খুব উপভোগ করি। এটিও নিঃসন্দেহে একটি ভালো কাজ হবে।’ অন্যদিকে শাবনূর বলেন, ‘আবারও নতুনভাবে ফিরছি। এ বছর আমার একাধিক বড় বাজেটের ছবি মুক্তি পাবে। আর মৌসুমী আপু বরাবরের মতোই সহশিল্পী হিসেবে দারুণ। ভালো একটি ছবি হবে এটুকু বলা যায়।’