মাগুরার ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো সংরক্ষণের অভাবে ধ্বংসের পথে

সংরক্ষণের অভাবে মাগুরার ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো ধ্বংস হচ্ছে। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ শুধুমাত্র সাইনবোর্ড টানিয়ে তাদের দায় এড়িয়েছে। অথচ এগুলো সংস্কার করলে নতুন প্রজন্ম তাদের অতীত সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারত। মাগুরা সদর উপজেলার টিলা গ্রামের ভাতের ভিটাটি সংরক্ষণের অভাবে আজ ধ্বংসের পথে। কথিত আছে এখানে পূর্বে বৌদ্ধ মন্দির ছিল। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ শুধুমাত্র একটি সাইনবোর্ড টানিয়েছে। মহম্মদপুর উপজেলায় ভূষণার রাজা সীতারাম রায়ের রাজবাড়ি ও কাচারী বাড়িটি সংস্কারের অভাবে ধ্বংস হতে বসেছে। এখানেও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কেবলমাত্র একটি নামফলক লাগিয়ে দিয়েই তাদের কর্তৃত্ব সেরেছে। নেয়া হয়টি এটি সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণের কোন উদ্যোগ। ১৬৯৭-৯৮ খ্রীস্টাব্দে মহম্মদপুরে রাজধানী স্থাপন করেন রাজা সীতারাম। রাজবাড়িটির জানালা-দরজা সব খুলে নিয়ে গেছে। চুন সুরকি খসে পড়ছে। অপরদিকে শালিখার তালখড়ির জমিদার বাড়ি এবং শ্রীপুরের মুজদিয়া গ্রামের কবি কাদের নেওয়াজের বাড়িটিও সংস্কারের অভাবে ধ্বংস হতে বসেছে। এলাকবাসীর দাবি এগুলো সংস্কার করা হোক। সংস্কার করলে এগুলো পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে।