বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হচ্ছে ঠাকুরগাঁও রেশম কারখানা
প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:২৫
লোকসানের কারণে ১০ বছর আগে বন্ধ হয়ে যায় ঠাকুরগাঁও রেশম কারখানা। দীর্ঘ সময় পর সরকারি মালিকানাধীন এ রেশম কারখানাটি এবার ইজারায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মিলটি চালুর বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের গঠন করা কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিলে যেকোনো সময় কারখানাটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হবে বলে সংশি¬ষ্টরা জানিয়েছেন। ১০ বছর আগে দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের চাষিরা তুঁতগাছ লাগাতেন। তাদের প্রায় অর্ধশত বাগান ছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখনো প্রায় ১৫-২০টির মতো বাগান টিকে রয়েছে। যেসব বাগান থেকে পলু পালনের মাধ্যমে সুতা উত্পাদন করেন রেশমকর্মীরা। এক সময় ঠাকুরগাঁও ঐতিহ্যবাহী রেশম কারখানায় উত্পাদিত হতো মসৃণ সিল্ক কাপড়। অথচ নীতি-নির্ধারকদের টানাপোড়েন ও কর্মকর্তাদের গাফিলতি আর উদাসীনতায় দিনে দিনে এই কারখানাটিকে লোকসানে ফেলা হয়। বিএমআরই করা হবে এমন কথা বলে হঠাত্ করে কারখানাটি বন্ধ করে দেয়া হয়। বন্ধ কারখানা চালু করার কথা বলে একাধিকবার রাজনীতিক ও জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে ঘোষণা পেলেও তা আর আলোর মুখ দেখেনি।
ঠাকুরগাঁও রেশম কারখানার সহকারী পরিচালক নাজির উদ্দীন সরকার বলেন, গত মাসে বেসরকারিভাবে কারখানা পরিচালনার জন্য টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। একটি সূত্র জানায়, ঠাকুরগাঁও রেশম কারখানা পরিচালানার জন্য দু’টি বেসরকারি কোম্পানি টেন্ডার ড্রপ করেছে।