দেশে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ কোটি ৭০ লাখ

বছরে বাংলাদেশের কতজন ছাত্র-ছাত্রী বিদেশে পড়াশুনা করতে যায় এবং বর্তমানে কতজন পড়াশুনা করছে সে হিসাব সরকারের নিকট নেই। তবে বিভিন্ন স্কলারশিপের অধীনে বছরে ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে বিদেশে পড়াশুনার জন্য মনোনীত করা হয়। চলতি বছর দেশে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় তিন কোটি ৭০ লাখ। মঙ্গলবার বিকালে ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সংসদকে এ তথ্য জানান। বেগম তহুরা আলী জানতে চান বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর কতজন ছাত্র-ছাত্রী বিদেশে পড়াশুনা করতে যায় এবং বর্তমানে কতজন শিক্ষার্থী বিদেশে পড়াশুনা করছে। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী সংসদকে জানান, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সাধারণত দু’ভাবে বিদেশে পড়াশুনা করতে যায়। প্রথমত নিজ খরচে ও নিজ উদ্যোগে এবং দ্বিতীয় স্কলারশিপের মাধ্যমে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এজন্য এনওসি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা নেই। ফলে বিপুল সংখ্যায় ছাত্র-ছাত্রী নিজ খরচ এবং উদ্যোগে বিনা বাধায় বিদেশে পড়াশুনার জন্য যায়। তাছাড়া কোন বিদেশি সরকার বৃত্তি প্রদান করে প্রার্থী নির্বাচনের জন্য অনুরোধ জানালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যথাযথ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই করে বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী মনোনীত করে। আর এ পদ্ধতিতে বিভিন্ন স্কলারশিপের অধীনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বছরে প্রায় ৩০০ জন শিক্ষার্থীকে মনোনীত করে থাকে। তাছাড়া অনেক দেশের দূতাবাস বৃত্তির জন্য সরাসরি প্রার্থী নির্বাচন করে থাকে। বেগম নাসরিন জাহান রত্নার প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দুই হাজার ৭০৪টি কম্পিউটার সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়াও নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত এক হাজার ৪০০টি ল্যাপটপ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা হয়েছে। ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সুবিধাবঞ্চিত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে বৃত্তিমূলক শিক্ষা সমপ্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। খন্দকার আবদুল বাতেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের ১০০টি উপজেলায় কারিগরী বিদ্যালয় স্থাপন পরিকল্পনার অংশ হিসাবে ৮৬টি উপজেলায় কারিগরী বিদ্যালয় স্থাপন করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১৪টি উপজেলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সাধনা হালদারের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১৩ শিক্ষাবর্ষে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২৬ কোটি ১৮ লাখ নয় হাজার ১০৬টি বই বিতরণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা হচ্ছে তিন কোটি ৬৮ লাখ ৮৬ হাজার ১৭২ জন।