রায়পুরায় আবাসিক এলাকায় ইটভাটা

রায়পুরায় পরিবেশ অধিদপ্তরের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একে একে গড়ে উঠছে অবৈধ ইটভাটা। এসব ভাটা গ্রাস করছে ফসলি জমি। অধিকাংশ ইটভাটা আবাসিক এলাকায় হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে জনস্বাস্থ্য। সেইসঙ্গে প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং স্বাভাবিক বৈচিত্র্যকে ধ্বংস করে চলেছে। এ নিয়ে পরিবেশ অধিদফতর ও স্থানীয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আবাসিক এলাকা থেকে ইটভাটা উচ্ছেদের দাবিতে সমপ্রতি উপজেলার আমিরগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে গ্রামবাসী। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা ও ফসলি জমির মাঠে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে অন্তত ১৩টি ইটভাটা। ওইসব ভাটার প্রয়োজনে কৃষি জমির উপরিভাগ থেকে ২/৩ ফুট করে মাটি উত্তোলন ও ইটভাটাগুলোতে কয়লার পাশাপাশি কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরি করা হচ্ছে। এতে ইটভাটার নিকটস্থ কৃষি জমির বোরো ধান ও আবাসিক এলাকার মৌসুমি ফলের উত্পাদন দারুণভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এসব ইটভাটার মালিক স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে পরিবেশ অধিদফতরের বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করে দিনের পর দিন অবৈধভাবে ইট তৈরি করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, পরিবেশ দূষণ রক্ষার্থে আমিরগঞ্জ আবাসিক এলাকায় স্থাপিত একটি ইটভাটা উচ্ছেদের দাবিতে উপজেলার আমিরগঞ্জসহ আশপাশ গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ গত শনিবার নরসিংদী-আমিরগঞ্জ সড়কে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। ঘন্টাব্যাপী স্থায়ী এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কৃষকের অভিযোগ, ভাটার মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকার কেউ এ ব্যাপারে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।