মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় গতি আনতে পারে ওবামা প্রশাসন

ওবামা প্রশাসনের দ্বিতীয় কার্যকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে জন কেরি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ফলে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় গতি আনতে পারে নতুন ওবামা প্রশাসন এরকম ধারণা করছেন অনেকেই। —খবর ডয়চে ভেলের মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় কার্যকালে বারাক ওবামা প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জন কেরি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে চাক হেগেল এখনো সংসদের ছাড়পত্র পাননি। তবে এই দুই ব্যক্তিকেই অভিজ্ঞ ও বিচক্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়। তারা দু’জনেই যুদ্ধে লড়েছেন, তাই কোনো সামরিক অভিযান সম্পর্কে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তারা একাধিকবার ভাববেন, এমনটাই আশা করা হচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ওবামা তৃতীয়বার নির্বাচিত হতে পারেন না, অতএব তিনি বেশ কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়াকে ঘিরে সামান্য হলেও কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। গত সপ্তাহান্তেই ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনি শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন জন কেরি। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুকে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ওবামা ও তিনি ইসরাইলের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপোষ করতে প্রস্তুত নন। নেতানিয়াহুও নির্বাচনে জিতে আপাতত নতুন সরকার গড়তে ব্যস্ত। ইরান ও সিরিয়া সংক্রান্ত নীতির ক্ষেত্রেও নেতানিয়াহু ও কেরি সমন্বয়ের কথা বলেন। কর বাবদ ফিলিস্তিনিদের যে প্রাপ্য অর্থ ইসরাইল আটকে রেখেছিল, তা আবার মঞ্জুর করায় কেরি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে কেরি বলেন, তিনি মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। ফিলিস্তিনি জনগণের অর্থনৈতিক সমস্যা সম্পর্কেও বেশ সচেতন।