মাতলামির অভিযোগে চবি ছাত্রলীগের তিন কর্মী আটক
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৩২
নেশা করার পর ছাত্রী হলে গিয়ে মাতলামির অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের মনিরুল ইসলাম, রণি সরকার ও নাহিদ পারভেজ নামের তিন কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের হাটহাজারী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রীতিলতা হলে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মনিরুল ইসলাম, চারুকলা ইনস্টিটিউটের রণি সরকার ও ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদ পারভেজ নামের তিন শিক্ষার্থী মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রীতিলতা হলে ঢুকতে যায়। এসময় হলের আবাসিক শিক্ষক লায়লা খালেদা বাধা দিলে মাতাল ছাত্রলীগ কর্মীরা তার সাথে দুর্ব্যবহার ব্যবহার করেন। এরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক সংগঠন ‘ভার্সিটি এক্সপ্রেস (ভিএক্স)’ গ্রুপের সদস্য বলে জানা গেছে। কিছুক্ষণ পর হল প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক হলে গেলে মাতাল ছাত্রলীগ কর্মীরা ফের হলে ঢোকার চেষ্টা করেন এবং হল প্রভোস্টের সাথেও দুর্ব্যবহার করেন। সর্বশেষ রাত সাড়ে ৯টার দিকে তৃতীয় দফায় তারা হলে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মাতাল অবস্থায় ঐ তিন ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে। প্রভোস্ট মাহবুবুল হক বলেন, মাতাল অবস্থায় কিছু ছেলে এসে হল গেটে মাতলামি করছিল। পরে প্রক্টর ও পুলিশ এসে তাদের আটক করে নিয়ে যায়।
বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ ও পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, মাতলামি ও হল প্রভোস্টের সাথে খারাপ আচরণের অপরাধে তিন ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে হাটহাজারী থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. খান তৌহিদ ওসমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।