স্টাডি সার্কেল
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:২১
স্টাডি সার্কেলের বন্ধুরা ও শিক্ষার্থীরা, গত ০৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার স্মরণীয় যাঁরা বরণীয় যাঁরা অংশে মহাকবি কালদাস’র জীবনালোকের উপর ভিত্তি করে গত বুধবার কয়েকটি প্রশ্ন দেয়া হয়েছিল । প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর তৈরি করে পাঠিয়েছে আমাদের ঐক্য, সাম্য,সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, হ্রদ্যতা, মৈত্রি,সততা স্টাডি সার্কেলের পিরোজপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী- ফারহীন আহম্মেদ, জয়িতা মন্ডল, বিজয়িনী হালদার, সংযুক্তা চক্রবর্তী, গার্গী চ্যাটার্জী, অর্পিতা বৈরাগী, ইসরাত জাহান, সিফাতী সিকদার, ফাহমিদা মাহাজাবিন, বর্ণিতা বাড়ৈ, সাবরিনা মেহেরীন ও চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী- ইসরাত জেরিন, মাহিমা রহমান মেধা, জেরিন আক্তার লিয়া, সাবরিনা সুলতানা সেফা, সোহাদা রহমান, শিক্ষার্থী রাফিদ, আসিফ,মীম,তনয়,রেহেনা, রাইশা,সাকিব, তাসিন, হূদয়, রাইসুল, সিয়াম,মঈনুদ্দিন, তিশা, মুন,আজাদ, আদর,জুথি, জেনি, ইমতিয়াজ, ইশরাত
স্টাডি সার্কেলের প্রশ্ন ও উত্তর
১.কবি কালিদাস’র সম্পর্কে কী জানো।
উত্তর : কালিদাস সাধাসিধে মনের মানুষ ছিলেন। তবে তিনি বাগ্দেবীর কৃপায় হঠাত্ করেই কবি হয়ে গেলেন। শুধু কবি নয়, মহাকবি ।
২. তিনি কোন রাজার সভাকবি ছিলেন বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা?
উত্তর :তিনি রাজা বিক্রমাদিত্যের সভাকবি ছিলেন বলে বিশেষজ্ঞগণের ধারণা
৩.তাঁর বেশ কিছু রচনার নাম লেখ?
উত্তর :তাঁর বেশ কিছু রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো : মেঘদূতম , অভিজ্ঞান শকুন্তলম , কুমারসম্ভব , রঘুবংশ ,ঋতুসংহার প্রভৃতি। কিন্তু তাঁর ‘দ্বাত্রিংশত্ পুত্তলিকা’ গ্রন্থটি বাংলায় বহুল আলোচিত না হলেও এই রচনাটি বেশ তাত্পর্যপূর্ণ ।
৪.তাঁর ‘দ্বাত্রিংশত্ পুত্তলিকা’ গ্রন্থটি বাংলায় বহুল আলোচিত না হলেও এই রচনাটি বেশ তাত্পর্যপূর্ণ । এখানে কতটি পুতুলের শাপ থেকে মুক্তির কথা আছে?
উত্তর:খানে বত্রিশটি পুতুলের শাপ থেকে মুক্তির কথা আছে। বত্রিশটি পুতুল ছিলো দেবী পার্বতীর সখী। স্বয়ং মহাদেব বত্রিশজনের প্রতি বিলাসে প্রবৃত্ত হলেন দেখে দেবী পার্বতী সেই বত্রিশজনকে শাপ দিলেন , তারা নির্জীব পুতুল হয়ে থাকবে।
৫.কর্মজীবনে তিনি কি ছিলেন?
উত্তর : তিনি একজন কবি
৬. বত্রিশটি পুতুলের মাধ্যমে আমরা মহাকবি কালিদাসের যেসব স্মরণযোগ্য উচ্চারণ পাই, সেগুলোর ৫টি উচ্চারণ উল্লেখ করো?
উত্তর :++যে ব্যক্তি জ্ঞান এবং ঐশ্বর্যাদি গুণযুক্ত , সে যদি ক্ষণমাত্রও জীবিত থাকে , তার জীবনই সফল হয়। যশ, গুণ এবং ধর্মসমন্বিত জীবনকে তিনি যথার্থ জীবন বলেছেন।
++সম্পদের স্থায়ীত্ব নেই আর মূর্খের বিবেচনা নেই।
++ঘুমন্ত শিশুকে হত্যায় যেমন কোনো পৌরুষত্ব নেই ,তেমনি সত্যনিষ্ঠ- বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে প্রবঞ্চনায় কোনো নৈপুণ্য নেই।
++দুর্জন ব্যক্তি সর্বদা নিজের গুণ এবং পরের দোষ প্রকাশে উত্সাহী। সজ্জনেরা কখনই নিজের গুণকীর্তন করে না।
++ যার মধ্যে উদ্যম ,সাহস , ধৈর্য, শক্তি, বুদ্ধি ও পরাক্রম — এই ছয়টি গুণ থাকবে , সেই ব্যক্তি যশস্বী হবে ।
মতামত জানাতে
ফোন
০১৭১৪৭০৫৭২৭
ইমেইল
anushilon.ittefaq10@gmail.com