গুণগতমানের বীজ উত্পাদনকে কৃষিভিত্তিক শিল্প ঘোষণা

গুণগতমানের বীজ উত্পাদনকে কৃষিভিত্তিক শিল্প হিসাবে ঘোষণা করেছেন শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া। তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এর ফলে দেশে কৃষিখাতের উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এ শিল্পে মূল্য সংযোজনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। শিল্পমন্ত্রী গত শনিবার রাজধানীর খামারবাড়িতে ‘বীজ শিল্পের উন্নয়ন এবং কৃষিখাতে আধুনিক বীজ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা’ শীর্ষক সেমিনারে এ ঘোষণা দেন। বাংলাদেশ সোসাইটি অব সিড টেকনোলজি এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বীজ উইং যৌথভাবে এ সেমিনার আয়োজন করে। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মঈনুল হক। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেমিনারের সভাপতি ও বাংলাদেশ সোসাইটি অব সিড টেকনোলজির প্রেসিডেন্ট ড. মোঃ নাজমুল হুদা। সেমিনারে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বীজ উইং এর মহাপরিচালক আনোয়ার ফারুক, বিএডিসি’র চেয়ারম্যান ড. এস. এম. নাজমুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মুকুল চন্দ রায়, বাংলাদেশ সিড অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এফ.আর. মালিকসহ বীজ গবেষক, বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞগণ আলোচনায় অংশ নেন। সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১১ লাখ টন উন্নত বীজের প্রয়োজন, যার বাজার মূল্য ৪০ বিলিয়ন টাকা। বর্তমানে এ চাহিদার বিপরীতে মাত্র শতকরা ২০ ভাগ অভ্যন্তরীণভাবে উত্পাদিত উন্নত বীজ থেকে যোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছে। এতে বছরে ৮ বিলিয়ন টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। নিজস্ব উত্পাদন থেকে উন্নত বীজের পুরো চাহিদা যোগান দেয়া সম্ভব হলে প্রতি বছর বিরাট অংকের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। এর পাশাপাশি বীজ শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ হিসাবে নতুন নতুন শিল্পের বিকাশ ঘটবে বলে তারা উল্লেখ করেন।