আহমাদিনেজাদ খামেনিকে অগ্রাহ্য করলেন

প্রকাশ্যে বিতর্কে জড়িয়ে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সতর্কতা অগ্রাহ্য করেছেন দেশটির কট্টরপন্থি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানে এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম ঘটল। চলতি বছরের জুনে অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে ইরানের রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে ২০১২ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে ওই সতর্কতা জারি করেছিলেন খামেনি। খামেনি বলেছিলেন, রাষ্ট্রীয় তিনটি বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কেউ প্রকাশ্যে বিতর্কে জড়ালে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন। ক্ষমতার দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এসে চলতি মাসে মজলিশে শুরার (পার্লামেন্ট) স্পিকারের সঙ্গে প্রকাশ্যে বিতর্কে জড়িয়ে আহমাদিনেজাদ ওই সতর্কতা উপেক্ষা করেছেন। দিনটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব দিন। আহমাদিনেজাদের পূর্ববর্তী দুই প্রেসিডেন্টের মেয়াদে এমন ঘটনা কখনো ঘটেনি। গত রবিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় বেতারে প্রচারিত শুরার অধিবেশন চলাকালীন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন দেশটির প্রেসিডেন্ট ও স্পিকার। একে অপরকে লক্ষ্য করে পাল্টাপাল্টি অপমানসূচক কথাবার্তা চালিয়ে যান তারা। শুরার হতচকিত আইন প্রণেতারা চিত্কার করে আপত্তি জানালেও থামেননি তারা।