স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর মামলা

৫বছর সংসার করার পরও স্বামীর ঘরে মন বসেনি জুলিয়ার (২০)। অবশেষে প্রেমিকের হাত ধরে নিরুদ্দেশ। পরে স্বামীর দায়ের করা মামলায় প্রেমিকসহ গ্রেফতার হয়েছে জুলিয়া। তারা দুইজনই এখন নাটোর জেলহাজতে। ঘটনাটি নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর শহরের উত্তরনাড়ীবাড়ি মহল্লার। গুরুদাসপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, জুলিয়া ১০ম শ্রেণিতে পড়ার সময় বিয়ে হয়। পাত্র কায়ছার। বিয়ের পর থেকে কায়ছার স্ত্রীকে নিয়ে তার চাচা ডা. নোমানের বাড়িতে থাকতো।এ সময় তার প্রেম হয় মিঠুর (৩০) সাথে। সর্বশেষ গত ৬ ফেব্রুয়ারি জুলিয়াকে নিয়ে নিরুদ্দেশ হয় মিঠু। তিনি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা মুক্তারপুর নওদ্বারা গ্রামের সাইরাত আলীর ছেলে । গত শনিবার গুরুদাসপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মো. ওসমান গনি সেখান থেকেই তাদের আটক করেন। এদিকে গত শনিবার জুলিয়ার সাবেক স্বামী কায়ছার ১৩ ভরি স্বর্ণাংকার ও ২লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্ত্রী জুলিয়া, তার বাবা জালালউদ্দিন (৫০), মা শ্যামলী (৪০), ছোট বোন ছালমা খাতুনসহ (১৮) মিঠুর আত্মীয় মামুন(২৫), মুন্নি খাতুন (২২) ও প্রেমিক মিঠু সরকারকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। থানায় বসে প্রেমিক মিঠু সরকার জানান, তারা শরিয়া মোতাবেক বিয়ে করে ঘরসংসার করছেন। স্বর্ণালংকার বা নগদ টাকা জুলিয়া সাথে নেয়নি। আত্মসাতের অভিযোগটি ঠিক নয়। জুলিয়া জানায়, প্রেমিকের প্রলোভনে সে স্বামীর (কায়ছার) ঘর ছেড়েছে। তারা বিয়েও করেছে। যাবার সময় তার ব্যবহারকৃত গহনা নিয়েছিল। সেগুলো তার সাথেই রয়েছে। তবে স্বামীর ঘর ছেড়ে জুলিয়া ভুল করেছে। এখন সে স্বামী কায়ছারের সংসারে ফিরে যেতে চায়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ওসমান গনি জানান,জুলিয়ার ঘর ছাড়ার খবরটি সত্য হলেও স্বর্ণালংকার ও টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি সত্য মনে হচ্ছে না। তার পরও তদন্ত চলছে।