চট্টগ্রামের গণজাগরণ মঞ্চে ৬ দফা দাবি

কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত ঘরে না ফেরার প্রত্যয়ে অটল চট্টগ্রামের তরুণ সমাজ। এ দাবি যতদিন পূরণ না হবে, ততদিন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণের গণজাগরণ মঞ্চে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে তারা। গতকাল রবিবার গণজাগরণ মঞ্চে ছয় দফা দাবি উত্থাপন এবং আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা প্রকাশ করা হয়। ব্লগার নির্ঝর মজুমদার ছয় দফার ঘোষণাপত্র উপস্থাপন করেন। ছয় দফার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ন্যায় বিচার, আইনের শাসন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে রাজাকার মুক্ত করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এছাড়া সকল যুদ্ধাপরাধীর দ্রুত বিচার করা এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দলমত নির্বিশেষে তরুণ প্রজন্মসহ বাংলাদেশের সব মানুষের মধ্যে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা। একাত্তরের চেতনায় উজ্জীবিত চট্টগ্রামের এ তরুণ সংগ্রামীরা প্রতিটি মানুষের হূদয়ের মণিকোঠায় ঠাঁই করে নিয়েছেন। এ অর্থে পুরো চট্টগ্রামই জয়ে করে নিয়েছে তরুণ সমাজ। প্রেসক্লাব ছাড়াও নগরীর গোলপাহাড় এলাকায় যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে বিকাল থেকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছে সেখানে। তার ফাঁকে ফাঁকে গগনবিদারী স্লোগান দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করা হচ্ছে। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন স্থানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে খণ্ড খণ্ড মিছিল হয়েছে। এসব মিছিলকে করতালি দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। তারুণ্যের এ জয়যাত্রায় কিছুটা পথ মিছিলের সাথে হেঁটেছেনও তারা। চুয়েট শিক্ষকদের একাত্মতা ঘোষণা এদিকে চুয়েট প্রতিনিধি জানান, কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় না হওয়া পর্যন্ত টানা আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক সমিতি। গতকাল রবিবার সকালে চুয়েটের কেন্দ , ডিবেটিং সোসাইটি, সাংস্কৃতিক সংগঠন জয়ধ্বনি, রোবো মেকাট্রনিক্স এসোসিয়েশন, এসরো ও সাংবাদিক সমতিসহ ক্যাম্পাসের সক্রিয় ছাত্র সংগঠনগুলো।