যারা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে তাদের প্রতিহত করুন
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৫৪
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যারা অবস্থান নিবে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে। অপরদিকে এটর্নি জেনারেল এডভোকেট মাহবুবে আলম জামায়াতের রাজনীতি চিরতরে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে বলেছেন, গত ৪০ বছরে জামায়াত ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছে। তাদেরকে রাজনীতি করতে দেয়া হলে তারা আবারো একই অপরাধ করবে। গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তারা এ বক্তব্য রাখেন। সমিতির সহ-সভাপতি এডভোকেট কেএম সাইফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার, এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সাবেক আইনমন্ত্রী এডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু এমপি, এডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন এমপি, এডভোকেট এএম আমিনউদ্দিন, এডভোকেট শম রেজাউল করিম, এডভোকেট আজহারউল্লাহ ভুঁইয়া, এডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু প্রমুখ।
সভায় গৃহীত প্রস্তাব পাঠ করেন সমিতির সম্পাদক এডভোকেট মমতাজউদ্দিন আহমেদ মেহেদী। এতে বলা হয়, সমিতি শাহবাগে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছে। আমরা এই সভা থেকে শুধু কাদের মোল্লা নয়, সকল যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবি করছি।
ব্যারিস্টার রোকন বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার জাতিগত দায়িত্ব আমাদের সকলের। এই দায়িত্ব আইনজীবীদের আরো বেশি। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পন্ন করতে হবে।
এডভোকেট মাহবুবে আলম বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। এই দিনের পর যে ব্যক্তি দেশের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছে, কথা বলেছে, অস্ত্র ধারণ করেছে তারা প্রত্যেকেই অপরাধী। দেশে সংঘটিত এই সব অপরাধের বিচার করার সকল এখতিয়ার সরকারের রয়েছে। বাসেত মজুমদার বলেন, যারা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বক্তব্য দেয় তারাও যুদ্ধাপরাধী। ট্রাইব্যুনাল ভেঙে দেয়ার দাবি জানিয়ে দেয়া বক্তব্যও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, ট্রাইব্যুনাল ভেঙে দেয়ার দাবি অগণতান্ত্রিক ও সংবিধান বিরোধী। মতিন খসরু বলেন, শাহবাগের আন্দোলনে নতুন প্রজন্ম দেখিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অবিনাশী। এই চেতনাকে কখনো কেউ ধ্বংস করতে পারবে না।