ভা লো বা সা দি ব স
অল্প স্বল্প গল্প
প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:৪৯
সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব ভালবাসা দিবস পালিত হয় অনেকটা আনন্দের সাথেই। ১৪ ফেব্রুয়ারির দিনটিকে দীর্ঘদিন থেকে সারা বিশ্বে ভালবাসা দিবস হিসেবে পালিত হলেও তা আমাদের দেশের সাংস্কৃতির সাথে জড়িত হয় ১৯৯৩ সাল থেকে। এই দিনটিতে দেশজুরে চলে ভালবাসার ছড়াছড়ি। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দিনটিকে ঘিরে থাকে প্রেমিক-প্রেমিকাসহ সকল যুবক-যুবতিদের মাঝে অন্যরকম অনুভূতি। আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি। একদিন পরেই আসছে সেই কাক্ষিত দিনটি। এবারের ভালবাসা দিবসকে নিয়ে বিভিন্ন রকম অনুভূতিগুলো ব্যক্ত করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীরাসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা।
উত্সব মোছাদ্দেক বলেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি আসলেই আমার মনে পরে যায় সেই ১৯৮৩ সালে স্বৈরাচারী শাসক এরশাদের শিক্ষামন্ত্রী মজিদ খানের বৈষম্যমূলক শিক্ষানীতির কথা।
সোহেলী আক্তার বলেন, বিশ্ব ভালবাসা দিবস একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। কারণ এতে আমরা একটি নির্ধারিত দিনে মনের সব ভালবাসার বিনিময় করতে পারি একে অপরের সাথে। তবে ভালবাসা দিবসের সঠিক ইতিহাস অবশ্যই আমাদের দেশের সকল জাতিকে জানতে হবে।
মোহাম্মদ হামিদুর রহমান বলেন, মানুষের ভালো সত্তার বিকাশের জন্য মমত্ববোধ ও ভালবাসা খুবই প্রয়োজন। তাদের মধ্যে যখন প্রেম-ভালবাসা জাগ্রত হয় তখন তার ভেতরের ভাল সত্তার বিকাশ ঘটতে থাকে। এখন আমরা ভালবাসা দিবসকে প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছি, কিন্তু ভালবাসা সবার জন্য সব সময় প্রযোজ্য।
ববিতা সিদ্দিক বলেন, বিশ্ব ভালবাসা দিবস এলেই মনে পরে যায় এর করুণ ইতিহাসের কথা। যে মহান ব্যক্তির কারণে আমরা এই দিনটি পেয়েছি তিনি প্রাণ দিয়ে তা আমাদের দিয়ে গেছেন। তাই এই দিনটিকে গিফ্ট দেয়া-নেয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একে ছড়িয়ে দিতে হবে জ্ঞান চর্চায়, যার লক্ষ্য হবে বিশ্ব-মানবতার সেবা। আর সেই মানবতার সিঁড়ি বেয়ে আমাদের উঠে আসতে হবে ভালবাসার জগতে।