জবির বাংলা বিভাগের ভাইভা পরীক্ষা প্রসঙ্গে

যে কোনো পরীক্ষার ক্ষেত্রে ভাইভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার পরও ভাইভাতে কাঙ্ক্ষািত নাম্বার না পাওয়ার কারণে একজন পরীক্ষার্থীর আশা চূর্ণ হয়। যেমনটি হয়েছিল ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত অনার্সের ৮ম সেমিস্টারের ভাইভা পরীক্ষায়। যেখানে পরীক্ষার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় ৩.৭৫ কিংবা ৩.৫০ পেয়েছে সেখানে ভাইভার ক্ষেত্রে পেয়েছিল ২.৫০ কিংবা ২.২৫। ফলে মূল সিজিপিএ (C.G.P.A)-এর ক্ষেত্রে ব্যাপক ধস নেমেছিল। সে ভাইভাতে অনেকের ক্ষেত্রে ৪টি প্রশ্ন করলে তিনটির সঠিক উত্তর দেয়া সত্ত্বেও ২.২৫ হারে নাম্বার দেয়া হয়েছিল। নাম্বার প্রদানের ঐ চিত্র সম্পর্কে বিভাগের চেয়ারম্যান বলেছিলেন, তোমাদের অনেকের উচ্চারণ ভঙ্গি কিংবা উত্তর উপস্থাপনার কৌশল এক্সটারন্যাল স্যারের পছন্দ হয়নি, যার ফলে কাঙ্ক্ষিত নাম্বার পাওনি। ফলে মাস্টার্সের ভাইভা নিয়ে ১২৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাই বন্ধুদের বলতে চাই যে, ভাইভায় যেহেতু মানোন্নয়ন দেয়ার সুযোগ নেই তাই আতঙ্কিত না হয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে শিক্ষা জীবনের শেষ ভাইভায় অবতীর্ণ হওয়া উচিত। আশা করি এই ব্যাপারে শ্রদ্ধেয় শিক্ষকমণ্ডলীদেরও সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। হামিদ, কালাম, রাজন, মিজান, ওমর আলী, বাংলা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যায় ঢাকা।