শীর্ষ সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের বিচারে শীঘ্রই বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৫৪
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, দেশের অপরাধ জগতের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও বর্তমানে চলা দু’টি ট্রাইব্যুনালেই করা সম্ভব। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার কর্ণেল (অব.) শওকত আলীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হলে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপন করা হয়। সামসুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী সংসদকে জানান, সরকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের বিচারের লক্ষ্যে সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অতি শীঘ্রই ট্রাইব্যুনাল গঠন করে কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মো. কবিরুল হকের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করতে বদ্ধপরিকর। চলমান দু’টি ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেইে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আশা করছি, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম এই দু’টি ট্রাইব্যুনালে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভুঁইয়ার লিখিত প্রশ্নের জবাবে আইন মন্ত্রী জানান, উচ্চ আদালতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার জট নিরসনে বর্তমান সরকারের আমলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ৪৫ জন বিচারপতি ও ১৬ জন অতিরিক্ত বিচারপতি এবং আপিল বিভাগে ১২ জন বিচারপতি নিয়োগ করা হয়েছে।
প্রশাসনে ওএসডি ২৩১ জন
মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে সংসদ কার্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে প্রশাসনে ২৩১ জন কর্মকর্তা ওএসডি হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। এদের মধ্যে একজন সচিব, ৩৫ জন অতিরিক্ত সচিব, ১০৪ জন যুগ্ম সচিব এবং ৯১ জন উপ-সচিব।