জোকস

পর্যটক :আচ্ছা শুনেছি এই জায়গাটা নাকি খুব স্বাস্থ্যকর। স্থানীয় ব্যক্তি :হুম ঠিকই শুনেছেন। আমি যখন প্রথম এ জায়গাটায় এসেছিলাম তখন না পারতাম হাঁটতে আর না পারতাম কথা বলতে। অথচ এখন দেখুন! পর্যটক :কি অবাক কাণ্ড। তা কি হয়েছিল আপনার যে আপনি হাঁটতে, কথা বলতে পারতেন না। স্থানীয় ব্যক্তি :কী আর হবে। আমার তো জন্মই এখানে। আর জন্মের পর কি কেউ হাঁটতে বা কথা বলতে পারে? হাজার হাজার মহিষের পাল ছুটে চলেছে। এরই মাঝে কোনোমতে গা বাঁচিয়ে দুটো কাঠবিড়ালি একপাশে দাঁড়িয়ে এই দৃশ্য দেখছিল। মহিষের পাল চলে যাওয়ার পর প্রথম কাঠবিড়ালি দ্বিতীয় কাঠবিড়ালিকে বলল— :দেখেছ কেমন করে হাজার হাজার মহিষ ছুটে চলেছে। দ্বিতীয় কাঠবিড়ালি :হুমম! ঠিক হাজার হাজার না। আসলে এখানে মোট ২৪২০টা মহিষ ছিল। প্রথম কাঠবিড়ালি :কী সাংঘাতিক! তুমি এতগুলো মহিষ কীভাবে গুনলে। দ্বিতীয় কাঠবিড়ালি :আরে দূর! মহিষগুলো যেভাবে যাচ্ছিল তাতে অত মহিষ গোনা শুরু করলে নিশ্চয়ই কষ্ট হতো। তাই আমি বুদ্ধি করে শুধু মহিষগুলোর পা গুনেছি। তারপর গুনফলটাকে চার দিয়ে ভাগ দিলাম বলেই তো এত সহজে তোমাকে মহিষের সংখ্যা বলতে পারলাম। গ্রীষ্মকালে বনের মধ্য দিয়ে যাওয়া খালগুলো একেবারেই শুকিয়ে গেছে। এরই মাঝে খালে যাওয়ার পথে এক কচ্ছপের সাথে দেখা হলো এক কাঠবিড়ালির। কচ্ছপকে যেতে দেখে সে বলল, ‘কেন খামোখা কষ্ট করে খালের দিকে যাচ্ছ। গ্রীষ্মের গরমে তো খাল শুকিয়ে চৌচির।’ ‘চিন্তা করো না। আমি খালের ধারে যেতে যেতে বর্ষাকাল এসে যাবে, খালে পানিও মিলবে।’—উত্তরে জানাল কচ্ছপ।