এগমন্ট গ্রুপের সদস্য পদ পাচ্ছে বাংলাদেশ
প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:০৭
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরত আনতে এগমন্ট গ্রুপের সদস্যপদ প্রাপ্তির সর্বশেষ প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ। এর প্রেক্ষিতে আগামী জুলাই মাসে অনুষ্ঠিতব্য এগমন্ট গ্রুপের বার্ষিক সাধারণ সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ গ্রুপের সদস্যপদ লাভ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
এগমন্ট গ্রুপ হলো বিশ্বের ১২৭টি দেশের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (এফআইইউ) সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক একটি সংগঠন। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের এফআইইউগুলোর মধ্যে অত্যন্ত গোপনীয় ও নিরাপত্তামূলক চ্যানেলে মানিলন্ডারিং, টেরোরিস্ট ফাইন্যান্সিং ও এ সংক্রান্ত অপরাধের তথ্য ও ইন্টেলিজেন্স বিনিময়ের একটি প্লাটফর্ম। এগমন্ট গ্রুপে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) মহাব্যবস্থাপক দেব প্রসাদ দেবনাথ বলেন, আইনী ও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে এগমন্ট গ্রুপের সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রক্রিয়া এতদিন স্থগিত ছিল। তবে বর্তমান সরকারের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, সন্ত্রাস বিরোধী আইন, মিউচুয়্যাল লিগ্যাল এসিসটেন্স এ্যাক্ট প্রণয়ন ও পালেরমো কনভেনশনে বাংলাদেশ স্বাক্ষর করায় নতুনভাবে সদস্যপদ প্রাপ্তির দ্বার উন্মোচিত হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এফআইইউ সূত্র জানায়, গত জানুয়ারি মাসে বেলজিয়ামে অনুষ্ঠিত এগমন্ট কমিটির সভায় পরিদর্শন দল বাংলাদেশের ওপর প্রণয়নকৃত তাদের অন সাইট এ্যাসেসমেন্ট প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। উপস্থাপিত বাংলাদেশের প্রতিবেদনটি এগমন্ট লিগ্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ ও আউটরিচ ওয়ার্কিং গ্রুপের নিকট সন্তোষজনক হওয়ায় তা অনুমোদন লাভ করে। এর প্রেক্ষিতে আগামী জুলাই মাসে অনুষ্ঠিতব্য এগমন্ট গ্রুপের বার্ষিক সাধারণ সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ এ গ্রুপের সদস্যপদ লাভ করতে যাচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে।