বি শ্ব অ র্থ নী তি র টু কি টা কি

মিসরের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমেছে

মিসরের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো কমেছে। জানুয়ারি মাসে দেশটির বৈদেশিক মুদার রিজার্ভ ১০ শতাংশ কমেছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, রিজার্ভ ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে এক দশমিক চার বিলিয়ন ডলার কমে এখন দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলারে। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রাস্তায় সহিংস বিক্ষোভের কারণে রিজার্ভ কমে গেছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশটির পর্যটন শিল্পকে ব্যাহত করেছে। এই খাতটি বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান যোগানদাতা। এ ছাড়াও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বৈদেশিক বিনিয়োগকেও নিরুত্সাহ করছে। বিষয়টি মিসরের অর্থনীতি ও সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাকে উদ্বেগের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ২০১১ সালে মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারককে ক্ষমতাচ্যুত করতে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশটির অর্থনীতি নিশ্চল হয়ে পড়ে। এর আগে দেশটির রিজার্ভ ছিল ৩৬ বিলিয়ন ডলার। আমদানি ব্যয় বিশেষ করে খাদ্য ও জ্বালানি খাতের ব্যয় নির্বাহে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রাখা অপরিহার্য ছিল। গত ডিসেম্বরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করে জানায়, রিজার্ভ সংকটজনক মাত্রায় মাত্র ১৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তখন বলা হয় এই রিজার্ভ অর্থ মাত্র তিন মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহ করতে পারবে। সরকার আইএমএফ থেকে নতুন করে চার দশমিক আট বিলিয়ন ডলার সাহায্য পেতে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।