চট্টগ্রামে পাঠ্যপুস্তক হাতে পায়নি জাতীয় শিক্ষাক্রম ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষার্থীরা
শামীম হামিদ, চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:১৩
নতুন শ্রেণিতে ওঠার পর দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও নগরীর জাতীয় শিক্ষাক্রমভুক্ত ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষার্থীরা এখনো জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের অনেক বই হাতে পায়নি। বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে কেউ কেউ ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে কোনমতে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এ ব্যবস্থার সুবিধাভোগী শুধু সচ্ছল পরিবারের সন্তানরা। কম্পিউটার না থাকায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে বইয়ের অভাবে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়তে হচ্ছে। কোন কোন স্কুলে পুরনো বই অনুসরণ করেই পাঠদান করা হচ্ছে।
চলতি বছর বোর্ড প্রকাশিত পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুতে ব্যাপক পরিবর্তন আনার কারণে পুরনো বই এ বছরের উপযোগী নয় বলে জানা গেছে। চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসসূত্র জানায়, ইংরেজি মাধ্যমে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৮০টি বইয়ের মধ্যে এ পর্যন্ত এসে পৌঁছেছে ৬১টি। বাকি ১৯টি বই এখনো পাওয়া যায়নি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মবই (১২টি), সপ্তম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই (১টি), অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (১টি) এবং নবম শ্রেণির ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং (১টি)। শিক্ষাবর্ষ শুরুর পর প্রথম দফায় ২৭টি বই এসেছিল। এরপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আরও ৩৪টি বই চট্টগ্রামে আসে গত সোমবার।
নগরীতে ইংরেজি মাধ্যম জাতীয় শিক্ষাক্রমভুক্ত স্কুলের সংখ্যা ৩১। এসব স্কুলে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫ হাজারের কিছু বেশি। এদের মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য বোর্ডের বইয়ের চাহিদা ১১৩৮ সেট, সপ্তম শ্রেণিতে ১০৪৫ সেট, অষ্টম শ্রেণিতে ১০০০ সেট এবং নবম শ্রেণির চাহিদা ৯৬৫ সেট। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হোসনে আরা জানান, জাতীয় শিক্ষাক্রমভুক্ত ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির পাঠ্য মোট ৮০টি বইয়ের মধ্যে গত সোমবার পর্যন্ত ৬১টি বই এসে পৌঁছেছে। বাদবাকি বই আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এসে পৌঁছবে বলে তিনি জানান।