জোয়ার এসেছে জনসমুদ্রে

জনজোয়ারে ভেসে গেল শাহবাগ আন্দোলনের প্রজন্ম চত্বর। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। জনতার সে াত বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস নিয়ে ভাসিয়ে নিল সকল সংশয়। ঢাকাসহ দেশের নানা প্রান্তে জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডবের খবর প্রবল প্রতিবাদ হয়ে দেখা দিয়েছিল শাহবাগের এই জনসমুদ্র। এই গণজাগরণ সমাবেশ থেকে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ সৃষ্টিতে নতুন প্রজন্মকে নতুন মুক্তিযুদ্ধের ডাক দেয়া হয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আইন সংশোধন, যুদ্ধাপরাধীদের রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমা প্রদানের আওতা থেকে বাতিল করা, ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ও যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয়দাতা জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয় এ গণজাগরণ সমাবেশ থেকে। এ সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেয়া হয় যে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে যেখানেই জামায়াত-শিবিরের নাশকতা ও ঔদ্ধত্য দেখা যাবে, সেখানেই প্রতিরোধের মানবদুর্গ গড়ে তুলতে হবে, দেশবাসীকে সতর্ক নজরদারি অব্যাহত ও জোরদার করতে হবে, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে স্বাধীনতা বিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বয়কট করার জন্য ব্যাপক গণসংযোগ চালাতে হবে, প্রজন্ম চত্বরকে দেশময় ছড়িয়ে দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত পাড়ায় মহল্লায়, গ্রামে-গঞ্জে, লোকালয়ে প্রজন্ম চত্বরের অনুসরণে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে, প্রজন্ম চত্বরের সাথে সংহতি রেখে আগামী রবিবার সকাল দশটায় স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাসহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত গাইবার আহ্বান জানানো হয় সমাবেশ থেকে। সর্বোপরি ঘোষণা দেয়া হয় যে, প্রজন্ম চত্বরের কর্মসূচি আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। আন্দোলনকে আরও সুসংহত ও জনসম্পৃক্ত করতে প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত চলবে। তবে যে কোন পরিস্থিতিতে কয়েক মিনিটের নোটিসে প্রজন্ম চত্বরে দলে দলে সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকারও আহ্বান জানানো হয় গণজাগরণ মঞ্চ থেকে। ছাত্র নেতারা সম্মিলিতভাবে সারাদেশে পাড়া-মহল্লা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণজাগরণ মঞ্চ ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান। তরুণ প্রজন্মের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে এই নতুন মুক্তিযুদ্ধে প্রতিটি বাসায় জাতীয় পতাকা ঝোলানোর আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ঘরে ঘরে একাত্তরের মত দুর্গ গড়ে তুলতে হবে। রাস্তা-ঘাটে, অলিতে-গলিতে যেখানেই জামায়াত-শিবির নৈরাজ্য সৃষ্টি করবে সেখানেই তাদের প্রতিহত করবার আহ্বান জানান এ প্রজন্মের ছাত্রনেতারা। মনে হচ্ছিল যেন ফিরে এসেছে সেই একাত্তর। সেদিনও ছাত্রনেতারা সকল বিভেদ ভুলে জাতির সংকটে একবিন্দুতে মিলিত হয়েছিলেন। গতকালও দেশের প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ সৃষ্টিতে এক কাতারে এসে দাঁড়ালেন। শাহবাগ আন্দোলনের এই গণজাগরণ সমাবেশ এক বিস্ময় হয়ে দেখা দিয়েছিল সারাদেশের মানুষের কাছে। যে কোন রাজনৈতিক দলকে সারাদেশ থেকে টাকা দিয়ে বাসে ভরে সমাবেশে লোক জমায়েত করতে হয়। সেখানে শুধু কয়েকজন তরুণের ডাকে অভূতপূর্ব এ আন্দোলনের সম্পৃক্ত হতে জনতার ঢলে যে স্বতঃস্ফূর্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো তা বিস্ময় সৃষ্টি করেছে নিঃসন্দেহে। গতকাল গণজাগরণের পরিধি বাড়তে বাড়তে শাহবাগ ছাড়িয়ে একদিকে টিএসসি চত্বর, অন্যদিকে হোটেল রূপসী বাংলা পর্যন্ত ছাড়িয়ে মিশে গিয়েছিল প্রধান সড়কে। অন্য দু’পাশ কাটাবন ও রমনা উদ্যান পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল মানুষের ঢল। শুক্রবার বিকাল চারটায় জাগরণ সমাবেশ শুরু হওয়ার পর পরই মানুষের ঢলে বাড়তে থাকে এর পরিধি। মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র, যুবক, তরুণ, নারী ও শিশুসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। আর সমাবেশের মূল মঞ্চে শ্লোগানে শ্লোগানে সমাবেশকে মুখর করে তোলেন লাখো জনতা। ‘আর কোন দাবি নাই, রাজাকারের ফাঁসি চাই’ পাকিস্তানের প্রেতাত্মা, পাকিস্তানে চলে যা’সহ বাঙালির সঞ্জীবনী শ্লোগান ‘জয় বাংলা, জয় বাংলা’ শ্লোগানে কেঁপে উঠেছে শাহবাগ আন্দোলনের গণজাগরণ সমাবেশ। সে জাগরণের স্পর্শ পৌঁছে গেছে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে। শাহবাগ আন্দোলন দেশের তরুণদের চেতনায় এক নবজাগরণ এনে দিয়েছে। যোগ করেছে আন্দোলনের নতুন অধ্যায়। দেশের তরুণদের ডাকে প্রতিটি মুক্তবুদ্ধির মানুষ সকল রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে একজোট হয়েছে। তরুণদের সেই ডাকে যোগ দিয়ে যে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে তা সারাদেশের রাজাকার, আলবদরদের আশ্রয় দেয়া জামায়াতে ইসলামীসহ সকল মৌলবাদী শক্তিকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে তাদের দোসররাও আন্দোলনের ভাষা হারিয়েছে। তরুণরা দেখিয়ে দিয়েছে প্রতিবাদের নতুন ভাষা। সেই প্রতিবাদের আন্দোলনে শামিল হয়েছে পুরো দেশের মানুষ। গতকালের অভূতপূর্ব সমাবেশ সেই আন্দোলনে যোগ করলো নতুনতর প্রেরণা। বিকাল তিনটার আগে থেকেই সমাবেশে উপস্থিত হন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী, আসাদুজ্জামান নূর এমপি, লেখক-সাংবাদিক একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নির্বাহী সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নাসির উদ্দিন ইউসুফ, ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, নওশাদ জামিল প্রমুখ। জাগ্রত জনতার পক্ষে আরো বিভিন্ন অঙ্গনের অসংখ্য ব্যক্তিত্ব-প্রতিনিধিরা এসে এতে সংহতি জানান। এক পর্যায়ে গণজাগরণ মঞ্চে এসে সংহতি প্রকাশ করেন ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক, হালিমা খাতুন, শরফুদ্দিন আহমেদ, সাঈদ হায়দার, আব্দুল কুদ্দুস, এম এ সামাদ, শাহাদাত হোসেন, গোলাম আরিফ টিপু। গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকারের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এস এম শুভ, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম, ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি আব্দুর রউফ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি সাইফুজ্জামান, ছাত্রঐক্য ফোরামের আহ্বায়ক সোহান সোবহান, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি প্রবীর সাহা, ছাত্র সমিতির আহ্বায়ক জাহিদুর রহমান খান, ছাত্র সংহতির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান রাসেল, ছাত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল শিকদার প্রমুখ। গণজাগরণ সমাবেশ সঞ্চালনায় ছিলেন নাসির উদ্দিন ইউসুফ ও অঞ্জন রায়। এ সময়ের তারুণ্যের পছন্দের শিল্পী প্রীতম ও বিপ্লব ‘শাহবাগ আন্দোলন’ নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমদ তফছির বলেন, আমরা প্রথম দিন থেকেবলেছিলাম ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাব না। এই শাহবাগের গণজাগরনমঞ্চের হাওয়া সারাদেশে ছড়িয়ে গেছে। জামাত শিবিরের হামলায় যারা নিহত হয়েছে তারা এই গণজাগরনের শহীদ। জামায়াত-শিবিরের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আগুন নিয়ে ছিনিমিনি খেলবেন না। আমরা অনেক ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়েছি। কিন্তু আর নয়। আর কারো উপর হামলা করা হলে ছাড় দেওয়া হবে না। জামাত যদি আর কোন আন্দোলকারীর ওপর হামলা চালায় তাহলে জামাতের মগবাজার কার্যালয় গুড়িয়ে দেয়া হবে। ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এস এম শুভ বলেন, হাঁটু গেড়ে দাঁড়িয়ে থাকার চেয়ে দাঁড়িয়ে মৃত্যুবরণ করা ভালো। তরুণ প্রজন্ম জানে তাদের দাবি কিভাবে বাস্তবায়ন করতে হয়। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলনের বিজয় আসতে শুরু করেছে। কিন্তু বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে না যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু বলেন, বাঙালি প্রমাণ করেছে তারা মাথা নত করতে জানে না। স্কুল-কলেজ-পাড়া-মহল্লায় গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি করে জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত করতে হবে। তিনি বলেন, সংসদে রবিবার ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের বিল পাস হবে বলে আমরা আশা করছি। সংসদে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের বিল উত্থাপন করতে হবে। সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি সাইফুজ্জামান সাকন বলেন, আজ ৪২ বছর পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে সবাই একমত হয়েছে। এদেশের শাসকরা বারবার ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করেছে। সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা সংযোজন করতে হবে। বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি আব্দুর রউফ বলেছেন, লড়াই ছাড়া, আন্দোলন ছাড়া কোন কিছুর বিজয় হয় না। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে কেউ যদি আপোষ করে, বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাহলে আপনারা মাঠ ছাড়বেন না, বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরবেন। ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি প্রবীর সাহা বলেন, সামপ্রদায়িক শক্তি আবার এদেশে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার পাঁয়তারা করছে। জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। ছাত্রঐক্য ফোরামের আহবায়ক সোহান সোবাহান বলেন, জামায়াত-শিবির মুক্তিযুদ্ধে ঘোষণা দিয়ে নিপীড়ন-নির্যাতন করেছিল। যতদিন তাদের বিচার না হবে ততদিন তরুণ প্রজন্মের এ আন্দোলন চলবে। সংহতি জানাতে প্রজন্ম চত্বরে হুমায়ূন আহমেদের মা আয়েশা ফয়েজ: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলনে সংহতি জানালেন শহীদজায়া ও বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মা আয়েশা ফয়েজ। গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে তিনি সপরিবারে উপস্থিত হন গণজাগরণ মঞ্চে। এ সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্লোগান দেন তারা। হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, তার স্ত্রী ইয়াসমিন হক ও কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব। আহসান হাবীব বলেন, নতুন প্রজন্মের যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কতটা উপলব্ধি করতে পারবে, তা নিয়ে একটু সংশয় ছিল। কিন্তু এখানে এসে মনে হচ্ছে, তাদের মধ্যে সেই চেতনা পুরোপুরিই রয়েছে। কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন রায়ই জাগিয়ে দিল জাতিকে: গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি ৭১’র মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন রায়ই জাগিয়ে দেয় জাতিকে। তাত্ক্ষণিকভাবে রায় প্রত্যাখ্যান করে ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্ক শাহবাগে অবস্থান নিয়ে কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবি জানায়। পরে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে তা আন্দোলনে রূপ নেয়। ক্লান্তিহীন শ্লোগানে একাকার হয়ে যায় রাত-দিন। আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পরে সারাদেশে। আন্দোলনকারীদের একটাই দাবি ‘রাজাকারের ফাঁসি চাই’। আর এই দাবিতেই শ্লোগানে শ্লোগানে এখন মুখর শাহবাগের প্রজন্ম চত্ব্বর। গতকাল আন্দোলনের আয়োজক ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকার বলেন, কাদের মোল্লার বিচারের দাবিতে হতাশ ও ক্রুদ্ধ হয়ে আমরা শাহবাগে একত্রিত হয়েছিলাম। দেশদ্রোহী, রাজাকাররা কোনভাবেই ছাড় পেতে পারে না। অথচ তারা এদেশে মন্ত্রী, এমপি পর্যন্ত হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের আন্দোলনে কিছু কিছু বিজয় এর মধ্যে অর্জিত হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ বিচারের পাশাপাশি আমরা জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানাই।