পাঞ্জাবের নয় এমপি’র পক্ষত্যাগ সংকটে পাকিস্তান পিপলস পার্টি

পাকিস্তান পিপলস পার্টির নয় পার্লামেন্ট সদস্য দেশটির প্রধান বিরোধী দলে যোগদান করার ঘোষণা দেয়ায় বেকায়দায় পড়েছে ক্ষমতাসীন এই দলটি। গত শুক্রবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সাথে এক বৈঠকের পর তারা পাকিস্তান মুসলিম লীগে (নওয়াজ) যোগ দেয়ার ঘোষণা দেয়। এর ফলে পাঞ্জাব বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়লো প্রেসিডেন্ট জারদারির দল পিপিপি। তাছাড়া পিএমএল-কিউ এর দুইজন সদস্যও নওয়াজ শরীফের দলে যোগ দেয়ার মধ্য দিয়ে মোট ১১ জন পার্লামেন্ট সদস্য ভিড়লো তার দলে। খবর ডন অনলাইনের। সদস্যরা হলেন, খানেওয়াল অঞ্চলের নিসাত আহমেদ দাহা, সাঈদ জামিল শাহ, রানা বাবর হুসাইন ও আব্বাস জাফর হিরাজ, সারগোধা এলাকার রানা মুনোয়ার হুসাইন ও সরদার কামিল গুজ্জার, জাভেদ আলাউদ্দিন (ওকারা), কাইসার সিন্ধু (গুজরানওয়ালা) এবং সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিএ উজমা জাহিদ বুখারি। এছাড়া পাকিস্তান মুসলিম লীগ-কায়েদ (পিএমএল-কিউ) সদস্য আশিক বুখারি (মুলতান) এবং পির আসলাম বোদলাও (খানেওয়াল) যোগ দিয়েছেন নওয়াজের দলে। দেশটির তথ্যমন্ত্রী ও পিপিপি’র তথ্য সচিব কামার জামান কাইরা দলত্যাগ করার তাদের এ ঘোষণার সমালোচনা করে বলেন, দল আশা করছে তারা তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবে। তিনি বলেন, দেশের জন্য নওয়াজের দলের উল্লেখযোগ্য ও ঐতিহাসিক কোন ভূমিকা নেই। এদিকে নওয়াজের দলের এক সংসদ সদস্য জানান, নতুনরা কোন শর্ত ছাড়াই তাদের দলে যোগ দিয়েছেন এবং কোন ধরনের বাধ্য-বাধকতা দেয়া হয়নি তাদেরকে। এদিকে নওয়াজের দলের নেতারা যেখানে এ অঞ্চল থেকে নির্বাচনের জন্য দলের টিকেট পাওয়ার আশা করছে সেখানে নতুন এই অন্তর্ভুক্তি কোন ক্ষোভ তৈরি করবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ঐ পিএমএল-এন’র সদস্য আরো জানায়, সবকিছু বিবেচনা করার পরই আমরা তাদেরকে আমাদের দলে স্বাগত জানিয়েছি এবং আশা করবো তারা দলের নিয়ম-নীতি মেনে চলবে। ওদিকে পাঞ্জাব পিপিপি’র তথ্য সচিব ড.ফখরুদ্দিনও দল ত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে তিনি আগামীকাল তার সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন। এছাড়া পাঞ্জাবের পিপিপি’র প্রেসিডেন্ট মানজুর ওয়াত্তু বলেন, প্রেসিডেন্ট জারদারি বাধ্য করেছেন ওকারার পার্লামেন্ট সদস্য আলাউদ্দিনকে পদত্যাগে। এছাড়া তিনিও সদস্যদের দলের প্রতি বিশ্বস্ততা ভেঙ্গে চলে যাওয়াকে বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।