সিলেটে পুলিশ-শিবির সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ২

কক্সবাজারে চার জামায়াত-শিবির কর্মী নিহতের প্রতিবাদে গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় শিবির কর্মীরা মিছিল বের করলে সেখানে পুলিশ বাধা দিলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ হয় সিলেট মদন মোহন কলেজ ছাত্র আলী আসগর খান রাহাত ও এমসি কলেজ ছাত্র রাসেল আহমদ। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। এসএমপি পুলিশের একজন এসিসহ ১০ পুলিশ আহত হয়েছে বলে পুলিশের কমিশনার বিভাস চন্দ্র মাঝি জানান। বিকালে রাহাতকে ও রাসেলকে ঢাকায় চিকিত্সার জন্য পাঠানো হয়। এদিকে বিকালে ছাত্র শিবির আজ রবিবার সিলেটে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হরতাল ডেকেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চৌহাট্টা থেকে নয়াসড়কের দিকে মিছিল যাওয়ার সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশ শট গানের গুলি ছুঁড়ে। এসময় পাল্টা ইট পাথর দিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় শিবির কর্মীরা। মুখোমুখি অবস্থায় পুলিশের গুলিতে দুই শিবির কর্মী ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়ে। সাথে সাথে দুটি মোটরসাইকেলে তুলে তাদেরকে নিয়ে যায় শিবির কর্মীরা। কোতয়ালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন শিবির কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ অর্ধশতাধিক রাউন্ড গুলি ছূুঁড়েছে। ভিন্ন সংগঠনের নামে জামায়াত-শিবির সক্রিয় ‘আমরা মুসলমান, ওলামা-মাখায়েখ, তৌহিদী জনতা’, ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন নামের ব্যানারে সিলেটের রাজপথে সক্রিয় থাকার কৌশল নিয়েছে জামায়াত-শিবির। নিজেদের দলীয় পরিচয়ে মাঠে নামলে বাধাগ্রস্ত হবে এই আশংকায় তারা এমন পথ বেছে নিয়েছে বলে জামায়াত সূত্র জানায়। পাশাপাশি নতুন নতুন ব্যানারের মিছিল-সমাবেশে তাদের দলের শীর্ষ ও অধিক পরিচিত নেতারা থাকছেন না। মধ্যম ও পেছনের সারির নেতারা সামনে থাকছেন। এব্যাপারে কোতয়ালী থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, জামায়াত-শিবির কর্তৃক ভিন্ন ভিন্ন নাম ও ব্যানার ব্যবহার করার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এব্যাপারে আমরা সতর্ক রয়েছি। পরিচয় গোপন করে কেউ নাশকতা করতে পারবে না।