গণ-আন্দোলনে মিউজিশিয়ান্স অ্যালায়েন্সের সংহতি প্রকাশ

যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে দেশব্যাপী গণ-আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশের লক্ষ্যে মিউজিশিয়ান্স অ্যালায়েন্স গত দুপুর ২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করে। গণ আন্দোলনে শহীদ যোদ্ধা রাজিব হায়দারের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে শোভাযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহবাগে গিয়ে শেষ হয়। মিউজিশিয়ান্স অ্যালায়েন্সের পক্ষে মাকসুদ ও ঢাকা ব্যান্ডের মাকসুদুল হক প্রজন্ম চত্বরের মূল মঞ্চ থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে চলমান আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন এবং অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রকাশিত ‘অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য নিষিদ্ধ’ অ্যালবাম থেকে ‘হে পরোয়ারদেগার’ গানটি পরিবেশন করেন। সংহতি শোভাযাত্রায় ব্যান্ড সদস্যদের মধ্যে মাকসুদুল হক ও তাপস (মাকসুদ ও ঢাকা), ফোয়াদ নাসের বাবু ও লুমিন (ফিডব্যাক), মানাম আহমেদ, হামিন আহমেদ ও ইকবাল আসিফ জুয়েল (মাইলস), কাজী হাবলু (রেনেসাঁ), সাহেদ (সাহেদ ও গাছ), বিপ্লব (প্রমিথিউস), ফয়সাল ও আলিফ (মেটাল মেইজ), লিংকন ও এরশাদ (আর্টসেল), জোয়াদ (নেমেসিস), রাফা (অর্থহীন), জাহান ও টনি (ব্ল্যাক), তপু (যাত্রী), কাজী আনান (আনান অ্যান্ড ফ্রেন্ডস), অনিতা (পেন্টাগন), অরূপ রাহী (লীলা), ত্রিদিব, রিয়াদ, পাভেল, জেরিন ও জেহিন (মেকানিক্স), রঞ্জন ও সুফী (আর্বো ভাইরাস), সাকিব, ফারহান ও সরফরাজ (ক্রিপটিক ফেইট), জামশেদ ও সামির (পাওয়ার সার্জ), চিশতী (রিবন), ফারশেদ (বোহেমিয়ান), জিবরান (ডেথরো) এবং শান্ত (ব্লান্ডারওয়ার) উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও ছিলেন সংগীতাঙ্গনের পরিচিত মুখ রুবায়েত, জুয়েল, সুমন, অভিলাষ, রানা, মিছিল বঙ্গভাষী, রুখসানা, লিমন, সাইফ, আবির, মুন প্রমুখ। সংহতি প্রকাশ শেষে ব্যান্ড সদস্যরা চারুকলার সামনের রাস্তায় বাংলাদেশের পতাকাতলে এসে জড়ো হয়ে দেশাত্মবোধক ও গণসংগীত পরিবেশন করেন এবং রাজিব হায়দারের জানাযায় অংশ নেন।