সুপার সাইক্লোন ফণীর সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে কক্সবাজারের মহেশখালীতে থাকা এলএনজিবাহী জাহাজ নিরাপদ অবস্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে পেট্রোবাংলা এবং সামিটের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বিদ্যুত্ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে বৃহস্পতিবার রাতে এলএনজিবাহী জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া আবার অনুকূল হওয়ার পর ফের এলএনজি সরবরাহ করা হবে।
বিদ্যুত্ এবং জ্বালানি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, এলএনজি মূলত চট্টগ্রাম ও ঢাকায় সরবরাহ করা হয়। ঘূর্ণিঝড়ের আগে পরে বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমবে। তাই বিদ্যুতের চাহিদা কমবে। আবার দুর্ঘটনার শঙ্কায় অনেক স্থানে বিদ্যুত্ সরবরাহ সাময়িক বন্ধ রাখা হবে। ফলে এলএনজি সরবরাহ কয়েকদিন বন্ধ থাকলে তার বড় প্রভাব পড়বে না। এদিকে বিদ্যুত্ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়কালীন সময়ে বিদ্যুত্ অবকাঠামোর সুরক্ষায় এবং ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যেসব এলাকায় বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে সেখানে দ্রুত পুনঃসংযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুত্ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফণীর কারণে দেশের উপকূল এলাকায় বিদ্যুত্ ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বিদ্যুতের ছেঁড়া তার বা হেলিয়ে পড়া বিদ্যুত্ লাইন স্পর্শ না করে স্থানীয় বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।