শেখ রাসেলের জয় কেড়ে নিলেন ইব্রাহিম
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৩১
মাত্র ১০ সেকেন্ডের জন্য নিজেদের অগ্রগামিতা ধরে রাখতে পারলো না শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনীর বিরুদ্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে অন্তিম মিনিটে গোল হজম করে শেখ রাসেলকে ড্রয়ের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো। আর তাতে সুবিধা হলো শিরোপার আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ জামালের।
স্ট্রাইকার মিঠুনের গোলে গতকাল রবিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে পেশাদার লিগের এ খেলায় ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় শেখ রাসেল। কিন্তু সারাক্ষণ এগিয়ে থেকেও শেষ বাঁশি বাজার মুহূর্তে আবাহনীর মিশুর কর্নার থেকে আসা বল শেখ রাসেলের গোল মুখে সৃষ্ট জটলা তৈরি করে। এর মধ্যেই আবাহনীর ফ্রাংকের কাছ থেকে বল পেয়ে ব্যাকহিল করে তা জালে জড়িয়ে দেন ঘানার খেলোয়াড় ইব্রাহিম (১-১)।
বল সেন্টার করার সাথে সাথেই রেফারি মিজানুর রহমান ম্যাচের বাঁশি বাজান। প্রায় নিশ্চিত জয়ের পথে থাকা ম্যাচটি ড্র হওয়ায় শিরোপা লড়াইয়ে এখন আবাহনীর কাছাকাছিই থাকলো শেখ রাসেল এবং শেখ জামাল। আবাহনী সর্বশেষ এ ড্রটির পরও ১৩ খেলা শেষে ২৮ পয়েন্ট পেয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে। অপরদিকে শেখ রাসেল ১২ খেলায় পেল ২৬ এবং শেখ জামালের অর্জন সমানসংখ্যক খেলায় ২৫ পয়েন্ট।
গতকাল হঠাত্ করেই আবহাওয়া কিছুটা মেঘলা হয়ে গেল। এর সাথে বিকাল থেকে শুরু হয় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। ভেজা মাঠের কারণে দু’দলের লড়াই প্রত্যাশিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করতে পারেনি। তারপরও শেখ রাসেল দৃশ্যত সফলই হয়েছিল আগেভাগে গোল পেয়ে তা দীর্ঘ সময় ধরে রাখায়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। আবাহনী অবশ্য এই গোলটি শোধ করার সুযোগও পেয়েছিল কয়েকবার। কিন্তু দুই অভিজ্ঞ ফুটবলার ক্যামেরুনের ইয়োকো এবং ঘানাইয়ান ইব্রাহিম সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেননি।
দুই দলই খেলা শেষে রেফারিকে দুষেছেন। শেখ রাসেলের কোচ মারুফ বলেন, ‘রেফারি ছয় মিনিট বেশি খেলিয়েছে। কারণ পর্দার আড়ালে খেলা চলছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আবাহনীর ফ্রাঙ্ক লালকার্ড পায়।’ একই কথা বলেছেন আবাহনীর ইরানী কোচ আরদেশীর পরণামাথ। তিনিও তার খেলোয়াড় ফ্রাঙ্কের লালকার্ড পাওয়া উচিত ছিল বলে মত দেন। ইরানী কোচটি অবশ্য এও বলেন যে, মাঠ ভাল থাকলে দর্শকরা সুন্দর একটা ম্যাচ দেখতে পারতেন।
আজকের খেলা
বিজেএমসি-মুক্তিযোদ্ধা
(বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, সন্ধ্যা সাতটা ৩০)