সিলেটে হরতালে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ২০ গাড়ি ভাংচুর, আটক ৯
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:১৪
সিলেট নগরীর বিভিন্ন সড়কে বেশ কয়েকটি ককটেল বিষ্ফোরণ ও টায়ারে আগুন জ্বালানোর মধ্যদিয়ে শিবিরের ডাকা গতকাল ৬-২টা হরতাল পালিত হয় নগরীতে। গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন রাস্তায় অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে শিবির কর্মীরা। দুপুরের দিকে বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টি যানবাহন ভাংচুর করেছে তারা।
গত শনিবার শিবিরের মিছিলে পুলিশের গুলিতে শিবিরের দুই কর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ার প্রতিবাদে জেলায় রবিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হরতাল আহ্বান করে সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার ছাত্র শিবির। অবশ্য শনিবার রাতে তার এক বিবৃতিতে চলমান এসএসসি পরীক্ষা হরতালের আওতামুক্ত থাকার ঘোষণা দেয়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করলেও দূরপাল্লার বড় যান চলাচল করেনি। তবে ট্রেন চলাচল করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার ভোরে নগরীর দরগা গেট, মিরাবাজার ও পাঠানটুলা, চৌকিদেখি ও দক্ষিণ সুরমায় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পিকেটিংয়ে নামে শিবির কর্মীরা। এসময় তারা মিরাবাজারে রাস্তায় বিচ্ছিন্নভাবে ইট ফেলে রাখে ও কয়েকটি টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে এ সময় পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও এসএসসি পরীক্ষার জন্যে দুই ঘন্টা শিথিল রেখে পুনরায় দুপুরে ঝটিকা পিকেটিং ও ভাংচুর চালিয়েছে ছাত্রশিবির কর্মীরা। বেলা সাড়ে ১১ টায় আবার নগরীর বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টি ছোট-বড় যানবাহন ভাংচুর করেছে তারা। দুপুরে শাহী ঈদগাহ, বালুচর ও কুমারগাঁয়ে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয় শিবির কর্মীদের। ৫ পিকেটার ও শাহপরাণ থানা এলাকা থেকে ৪ টি মোটর সাইকেলসহ ৪ জনকে আটক করেছে বলে জানিয়েছে সিলেটে মেট্রোপলিটন পুলিশ।
শাহপরাণ থানা পুলিশ জানান, শিবগঞ্জে পিকেটিংকালে চার পিকেটারকে মোটর সাইকেলসহ আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো-মোক্তার (৩১), মাহমুদ (৩০), শিহাব উদ্দিন খসরু (৩৫), মাহমুদ হাসান কাজিম (৩৫)। তাদের কাছ থেকে ৪টি মোটর সাইকেল ও ৪টি মোবাইলও জব্ধ করা হয়।