হলমার্ক চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামের জামিন বাতিল
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:১৫
দুদকের দায়ের করা ১১টি দুর্নীতি মামলায় হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামের জামিন বাতিল করেছে মহানগর দায়রা জজ আদালত। গতকাল রবিবার দুদকের আবেদনে ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জহুরুল হক এ জামিন বাতিল করেন। জেসমিন হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদের স্ত্রী।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি জেসমিনকে ১১টি মামলায় জামিন দেয় একই আদালত। রবিবার দুদকের পক্ষ থেকে সবগুলো মামলায় জামিন বাতিল করার আবেদন করা হয়। আবেদনে বলা হয়, জামিনে গিয়ে জেসমিন মামলার তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। এছাড়া তিনি যেকোন সময় বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার জামিন বাতিল করা প্রয়োজন। গত ৭ ফেব্রুয়ারি আদালত জেসমিন ইসলামের জামিন মঞ্জুর করার পর গত ১০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুস আলী আকন্দ বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের বেঞ্চে একটি আবেদন করেন। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হককে হাইকোর্টে তলব করেছিল। ১৮ ফেব্রুয়ারি তাকে হাইকোর্টে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছিলো।
সেনালী ব্যাংক রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে দুই হাজার ৬৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাত্ করার অভিযোগে হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর মাহমুদ ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামসহ ২৭ জনকে আসামি করে গত বছরের ৪ অক্টোবর ১১টি মামলা করে দুদক। আসামিদের মধ্যে হলমার্কের ৭ জন এবং সোনালী ব্যাংকের ২০ জন কর্মকর্তা রয়েছেন।
পরাগ অপহরণ মামলার ৫ আসামির জামিন বাতিল
কেরানীগঞ্জের স্কুলছাত্র শিশু পরাগ মন্ডল অপহরণ মামলার ৫ আসামির জামিন বাতিল করেছে আদালত। গতকাল রবিবার রাষ্ট্রপক্ষের জামিন বাতিল আবেদনের উপর শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল মজিদ এ জামিন বাতিল করে দেন। আসামিদের আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আসামিরা হচ্ছেন যুবলীগ নেতা আমিনুল হক ওরফে জুয়েল মোল্লা, আলফাজ হোসেন, মামুন মিয়া, আবুল কাশেম ও রিজভী আহমেদ অনিক। চাঞ্চল্যকর এ অপহরণের ঘটনায় পাঁচ আসামিকে জামিন দেয়ায় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল মজিদকে তলব করে হাইকোর্ট। একইদিন সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি খোন্দকার আব্দুল মান্নানকেও আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়।