ফণী আতঙ্কে আগাম ধান কাটছেন কৃষক

ঘূর্ণিঝড় ফণী আতঙ্কে রয়েছেন কৃষকরা। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইতোমধ্যে বোরো কাটা শুরু হয়েছে। আবার অনেক জায়গায় এখনো ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়নি। এমন সময় ঘূর্ণিঝড় আঘাত করলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান গতকাল শুক্রবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আমাদের যে প্রস্তুতি তাতে একটি প্রাণহানিরও আশঙ্কা নেই। তবে ঝড়ে বাতাসের গতিবেগ যদি ২০০ কিলোমিটারের বেশি হয়, তাহলে খুলনা অঞ্চলের ১১ হাজার হেক্টর জমির ফসল রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ফণী আসার সংবাদে অনেক কৃষক আগেভাগেই ধান কেটে নিয়েছেন। বিশেষ করে যারা আগাম আবাদ করেছেন তাদের ধান কাটা হয়ে গেছে। আবার অনেক জায়গায় মাঠে আধাপাকা ধান রয়েছে। এগুলো নিয়ে কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেশি। অবশ্য কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, অনেকেই ঋণ করে বোরো আবাদ করেছেন। এ অবস্থায় ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে যদি ফসলের ক্ষতি হয় তাহলে তারা উঠে দাঁড়াতে পারবেন না। এমনিতেই এখন বাজারে বোরোর দাম কম। 

গঙ্গাচড়া ( রংপুর) সংবাদদাতা জানিয়েছেন, গঙ্গাচড়ায় ফণী আতঙ্কে আছেন কৃষকরা ।

গঙ্গাচড়ায় কোথাও কোথাও বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। ফলনও ভাল। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে দিগন্তজুড়ে পাকা ধান। ফণীর আতঙ্কে কৃষকরা এখন দুশ্চিন্তায়। এই আতঙ্কে ঘুম নেই কৃষকের চোখে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে যেসব জমির ধান ৮০ ভাগ পেকেছে সেসব জমির ধান কাটার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে ।