সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:২২
টানা তিনদিন শেয়ারবাজারের সূচক কমেছে। তবে সূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে। গতকাল বাজারে লেনদেন হয়েছে ৫৪৩ কোটি টাকা। এনিয়ে সাড়ে ৪ মাসের মধ্যে মাত্র দুবার লেনদেন হলো ৫ শত কোটি টাকার উপরে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে সূচক কমলেও লেনদেন বৃদ্ধির প্রবণতা ইতিবাচক।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৫৪ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ২১০ পয়েন্ট আর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫৫ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৩০১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-৩০ মূল্য সূচক ১৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫২৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। মোট লেনদেন হয়েছে ৫৪৩ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ১৩৭ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৮৮ কোটি ১৮ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৭৬ টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৮ টির, কমেছে ২০৬ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২ টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিন ডিএসইতে ২৭৬ টি কোমপানির ১২ কোটি ৮৮ লাখ ২৬ হাজার ৬৭ টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের হাত বদল হয়েছে।
গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচক ১৪৫ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ২৩০ পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে। সিএসই-৩০ মূল্য সূচক ১৩৮ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৩৬৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৪ কোটি ৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৫৯ টাকা। লেনদেনকৃত ১৯৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ১৫৮ টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৯টির শেয়ারের দাম।
এদিকে স্টক ডিলার ও ব্রোকারদের পুন:মূল্যায়নজনিত অনাদায়কৃত ক্ষতির (আনরিয়ালাইজড লস) বিপরীতে প্রভিশনিংয়ের বিধান শিথিল করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গতকাল কমিশনের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলারদের ডিলার হিসাবে ধারণকৃত শেয়ারের পুন:মূল্যায়নজনিত অনাদায়কৃত ক্ষতির বিপরীতে যে প্রভিশন রাখার কথা রয়েছে তা গত ডিসেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত অথবা প্রযোজ্য আর্থিক বছর অনুযায়ী ৫টি সমান অংশে (২০ শতাংশ করে) সংরক্ষণ করা যাবে। তবে এ সব সুবিধা কেবল গত ৩১ শে ডিসেম্বরে সমাপ্ত বছরে অথবা আর্থিক বছর অনুযায়ী প্রযোজ্য সময়ে উদ্ভুত পুন:মূল্যায়নজনিত ক্ষতির (অনাদায়কৃত) প্রভিশনের জন্য প্রযোজ্য হবে।