ইউএনওদের গণজাগরণ মঞ্চ করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার
প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:২৩
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনাসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ধামাচাপা দিতে সরকার নানা কৌশল করছে। তার একটি কৌশল হচ্ছে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ। তারা যুদ্ধাপরাধের বিচার চায় না। এই বিচার নিয়ে তারা রাজনীতি করতে চায়। সেজন্য দেশের সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং ওসিদের নির্দেশ দিয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ তৈরি করার। আগামীতে যদি নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না দেয়া হয়, তাহলে এমন গণজাগরণ সৃষ্টি করা হবে যে, সরকার নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হবে।
গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাসাস আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। জাসাস সভাপতি এম এ মালেকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক গাজী মাজহারুল আনোয়ার, জাসাস সাধারণ সম্পাদক মনির খান, সহসভাপতি বাবুল আহমেদ, আনিসুল ইসলাম সানি, আহমাদুল্লাহ চৌধুরী, সালাউদ্দিন মিয়া শিশির, রিজিয়া পারভিন, রিনা খান, রাহিজা খানম ঝুনু প্রমুখ।
ড. মোশাররফ বলেন, গত নির্বাচনের আগে যেসব ওয়াদা করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছিল তার একটিও পূরণ করতে পারেনি। তারা যখন বুঝতে পেরেছে তাদের ওপর থেকে দেশের মানুষের আস্থা পুরোপুরি উঠে গেছে, তখনই সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে নিজেদের অধীনে নির্বাচন করার ব্যবস্থা করেছে। তারা নিজেদের অধীনে নির্বাচন করে আবার ক্ষমতায় আসতে চায়। এই সরকারকে সুষ্ঠুভাবে বিদায় করার একটিই পথ। তা হলো, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। নির্দলীয় সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন এদেশে হবে না।
তিনি বলেন, পত্র-পত্রিকার জরিপে দেশের আশি ভাগ মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়, এটা দেখে সরকারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই নানা কৌশলে তারা আবার ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। তার একটি কৌশল চলছে শাহবাগের চত্বরে।