ইরানের সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন উত্তেজনা সৃষ্টি করবে

জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, ইরান তার প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে ১৮০ টি অত্যাধুনিক সেন্ট্রিফি্্্্উজ বসানো শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতিসংঘের তদন্ত সঠিক হলে এটিকে একটি উত্তেজনা সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ বলতে হবে। জাতিসংঘের একজন পরমাণু পর্যবেক্ষক বলেছেন, আগামী সপ্তাহে নতুন করে পরমাণু আলোচনা শুরুর আগে ইরানের এই পদক্ষেপ পশ্চিমাদের মাঝে উদ্বেগের সৃষ্টি করবে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, এই রিপোর্ট প্রমাণ করে ইরান দ্রুত তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের একটি গোপন সূত্র জানায়, নাতাঞ্জ শহরের পাশে পরমাণু কেন্দ্রে অনেকগুলো আই আর টু এম সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন করা হয়েছে। সেগুলো এখনও চালু করা হয়নি। ইরানের দূত আলি আসগর বলেন, জাতিসংঘের কাছে এমন কোন প্রমাণ নেই যে সামরিক উদ্দেশ্যে এগুলো ব্যবহার করা হচ্ছে। পশ্চিমারা আশংকা করছেন, সেন্ট্রিফিউজগুলো স্থাপনের মাধ্যমে ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির দিকে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারে। তবে ইরান বলছে, তারা ইউরেনিয়াম পরিশোধন করছে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে। ইরান নয় ইসরাইলের পরমাণু কর্মসূচি শান্তির জন্য হুমকি। ২০০৩ সালে তাদের হাতে কোন সেন্ট্রিফিউজ ছিল না। এখন তাদের হাতে প্রায় ৮ হাজার সেন্ট্রিফিউজ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড বলেন, ইরানের নতুন প্রজন্মের সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন আরেকটি উত্তেজনা সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জে কারণে জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি কাজাখস্তানের আলমাতির বৈঠকে ইরান যদি তার পরমাণু কর্মসূচির ব্যাপারে বিশ্বসম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করতে না পারে তবে দেশটি আরো চাপের মুখে পড়বে।