ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ স্থানীয় চারটি এয়ারলাইন্স ১০টি ফ্লাইট বাতিল এবং দেশের ভেতরের বিভিন্ন গন্তব্যের ফ্লাইটসূচি পরিবর্তন করেছে।
নভোএয়ারের সর্বোচ্চ সাতটি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এবং রিজেন্ট এয়ারলাইন্সের একটি করে ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়।
বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মির্জা বলেন, বিমানের ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা ফ্লাইট বাতিল এবং ঢাকা-কোলকাতা-ঢাকা ফ্লাইটের সূচি সকাল থেকে বিকেলে নির্ধারণ করা হয়। বেসরকারি পর্যায়ে সর্বাধিক দেশীয় গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনকারী প্রতিষ্ঠান নভোএয়ারের বিক্রয় এবং বিতরণ বিভাগের প্রধান মেসবাহ-উল-ইসলাম জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশের ফ্লাইটগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামের পথে তিনটি, যশোরের পথে একটি, কক্সবাজারের পথে একটি, সৈয়দপুরের পথে একটি এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের মধ্যে কোলকাতার পথে একটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (মার্কেটিং সাপোর্ট এন্ড পিআর) কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা সৈয়দপুরের পথে আমাদের একটি ফ্লাইট বাতিল করেছি এবং কলকাতাসহ বিভিন্ন পথে আমাদের ফ্লাইট সূচি পুনঃনির্ধারণ করেছি।
আরো পড়ুন: ‘ফণী’র প্রভাবে সারাদেশে নিহত ১৮, আহত অর্ধশতাধিক
রিজেন্ট এয়ারলাইন্সের বিক্রয় ও বিপণন পরিচালক সোহেল মজিদ জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে ভারতীয় বিমান চলাচল কতৃপক্ষ কলকাতার নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়ায় রিজেন্টের কলকাতা ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অতিরিক্ত সতর্কতার মধ্য দিয়ে বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) দেশের সবকটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
সিএএবি’র সদস্য (পরিচালন) এয়ার কমোডর এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আমাদের সবগুলো বিমানবন্দর (স্টেন্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর) এসওপি পদ্ধতিতে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাসস।
ইত্তেফাক/এমআই