রাবিতে অ্যাডহক ভিত্তিতে ৪৫ কর্মচারী নিয়োগ

তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী পদে আরো ২৬ জনকে অ্যাডহক (অস্থায়ী) ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রা.বি) উপাচার্য। বিশেষ ক্ষমতাবলে উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এই নিয়োগ দেন। তবে একাধিক সূত্রের মতে উপাচার্য ৪৫ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দৈনিক ইত্তেফাকের শেষের পাতায় ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আরো আড়াইশ নিয়োগ, চাকরি হয়নি নিহত ফারুকের বোনের’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তত্পর হন। বার বার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও ফারুকের বোনের চাকরি কেন হয়নি তা উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের কাছে জানতে চান। এ সময় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য দুজনই ছাত্রলীগ নেতাদের কাছে নিজেদের ভুল স্বীকার করেন এবং ফারুকের বোনকে অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ফলে ওইদিন আরো যাদের অ্যাডহক নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে ফারুকের বোন মোসাঃ আসমা বেগমও রয়েছেন। রা.বি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হোসাইন বিপু গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় নিম্নমান সহকারী পদে নিহত ফারুকের বোনের অ্যাডহক চাকরির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাকে আজ সোমবার সংস্থাপন শাখায় যোগদান করতে বলা হয়েছে। এদিকে গতকাল সকাল ১০টায় নগরীর চৌদ্দপাই বিহাস আবাসিক এলাকার প্রধান ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছে একদল চাকরি প্রত্যাশী। প্রায় আধাঘণ্টা বিক্ষোভের সময় তারা রা.বির উপাচার্যের ঘনিষ্ঠ কয়েক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষকের হস্তক্ষেপে তারা চলে যান। বিদায়ের আগে উপাচার্য আরো শতাধিক পদে অ্যাডহক নিয়োগ দেবেন ক্যাম্পাসে এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এসব নিয়োগ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে অসমর্থিত একাধিক সূত্রে জানা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্থাপন শাখার সহায়ক কর্মচারী ও সাধারণ কর্মচারী ইউনিটের উপ-রেজিস্ট্রার আবদুল মজিদ জানান, চাকরি প্রত্যাশীদের চাপ ও হুমকিতে তিনি গতকাল অফিস খুলতে পারেননি। গত শনিবার চাকরি প্রত্যাশীরা উপ-উপাচার্যের দপ্তরের পাশাপাশি তার দপ্তরে হামলা ও ভাঙচুরের সময় তাকে এবং তার মেয়েকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করে।