জনগণের চক্ষু চিকিত্সায় সপ্তাহে একদিন গ্রামে যান
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৪৪
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পল্লীর জনগণের মাঝে চক্ষু চিকিত্সার সুযোগ পৌঁছে দিতে সপ্তাহে একদিন নিজ নিজ গ্রামে যাওয়ার জন্য চক্ষু চিকিত্সকদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী গ্রামাঞ্চলে প্রতি মাসে চক্ষু শিবির করে ছানি অপারেশনসহ উন্নত চিকিত্সা সেবা দেয়ার জন্যও তাদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি গতকাল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ চক্ষু চিকিত্সক সমিতির ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সম্মেলন উদ্বোধনকালে এ আহ্বান জানান।
সমিতির সভাপতি ডা. দীন মোহাম্মাদ নূরুল হকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) ডা. মজিবুর রহমান ফকির, সমিতির মহাসচিব ডা. জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মাদ আলী ও সম্মেলন আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান ডা. শরফুদ্দিন আহমাদ বক্তৃতা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, অন্ধত্ব প্রতিরোধে দক্ষ চক্ষু চিকিত্সকের বিকল্প নেই। তিনি চিকিত্সকদের অর্জিত জ্ঞানকে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরো শাণিত করে এ ব্যাপারে আরও আগ্রহী হতে তাদের প্রতি আহ্বান জানান। চোখ মানুষের শরীরের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও মূল্যবান অঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, চক্ষু চিকিত্সকগণ মানুষের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের চিকিত্সা সেবার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় যথেষ্ট অবদান রাখছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্ধত্ব বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সমস্যা। এ দেশে অন্ধত্বের সংখ্যা প্রায় সাড়ে সাত লাখ। এর প্রায় শতকরা ৮০ ভাগ ছানিজনিত এবং যা পরিহারযোগ্য। ছানিজনিত অন্ধত্ব অপারেশনের দ্বারা নিরাময় করা সম্ভব। এ জন্য জনগণকে সচেতন এবং সময়মতো চক্ষু চিকিত্সকের কাছে যেতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।