স্যাটেলাইট : রাব সে সোনা ইশক
ত্রিভুজ প্রেমের জমজমাট নাটক
প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:৩২
‘রাব সে সোনা ইশক’ সিরিয়ালের গল্প সাহিবাকে নিয়ে। সাহিবা সুন্দরী এক তরুণী। সে ভালোবাসে তার ছোটবেলার বন্ধু রণবীরকে। স্মার্ট যুবক রণবীর তার পেশায় সিরিয়াস। লন্ডনে সেটেলড হওয়ার স্বপ্ন তার মনে। সাহিবা ও রণবীরের একই গ্রামের আরেক যুবক দালজিত। সেও পছন্দ করে সাহিবাকে। দালজিত সাহিবাকে প্রথম দেখেই মুগ্ধ হয় এবং তাকে ভীষণভাবে ভালোবেসে ফেলে। দালজিত ও উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য লন্ডন যাওয়ার স্বপ্ন দেখে। একসময় রণবীরের সঙ্গে সাহিবার বিয়ে ঠিকঠাক হয়ে যায়। বিয়ের দিনই রণবীর লন্ডন থেকে চাকরির অফার পায়। ব্যাপারটি সাহিবার বাবা সহজভাবে মেনে নিতে পারেন না। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি মেয়ে সাহিবার সঙ্গে তার বন্ধুর ছেলে হ্যাপির বিয়ে ঠিক করেন। সাহিবা রণবীরের লন্ডন যাওয়ার ব্যাপারটিকে যৌক্তিক মনে করে। বাবার সিদ্ধান্ত মানতে পারে না সাহিবা। সেও লন্ডনে রণবীরের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ জন্য পাসপোর্ট করতে গিয়ে বিবাহিতা হওয়া প্রয়োজন সে জানতে পারে। তখন সাহিবা নিজের মতের বিপক্ষে হলেও বাবার পছন্দে পাত্র লাকিকে বিয়ে করতে রাজি হয়। কিন্তু হঠাত্ তার নীরব প্রেমিক দালজিতের সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। অনিচ্ছায় হলেও সাহিবা দালাজিতকে বিয়ে করে। দালজিতকে সঙ্গে নিয়ে সে লন্ডন পাড়ি জমায় বাড়ির সবার অজান্তে। লন্ডন পৌঁছার পর সাহিবা, রণবীর ও দালজিতের মধ্যেকার ত্রিভুজ প্রেম জমে ওঠে। দালজিতের সঙ্গে থাকলেও সাহিবা রণবীরকে খুঁজতে থাকে লন্ডন শহরে। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও তার কোনো খোঁজ পায় না সাহিবা। ওদিকে রণবীর লন্ডন থেকে দেশে নিজের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে তার প্রেমিক সাহিবার লন্ডনে পাড়ি জমানোর কথা। বিভিন্নভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চালায় রণবীর। সাহিবাকে নির্দিষ্ট জায়গায় আসার জন্য বলে রণবীর। কিন্তু সেখানে যাওয়ার জন্য রওনা হলেও এক সুন্দরী তরুণী জাজকে গুণ্ডাদের কবল থেকে বাঁচাতে গিয়ে পথে দেরি হয়ে যায়। রণবীর আসছে না দেখে মন খারাপ হয়ে যায় সাহিবার। সে মনের দুঃখে রাগে অভিমানে দালজিতের বুকে মাথা রেখে কাঁদতে থকে। এ দৃশ্য দেখে রণবীর উপলব্ধি করে, সাহিবা দালজিতকে নিয়ে সুখেই আছে। গুণ্ডাদের কবল থেকে জাজকে রক্ষা করায় তার বাবা খুশি হয়ে রণবীরকে মেয়ের বডিগার্ড নিয়োগ করে তাকে। রণবীর জাজের বাবার অগাধ সম্পত্তির লোভে তার সঙ্গে ভালোবাসার অভিনয় শুরু করে। জাজ রণবীরের মিথ্যে প্রেমের অভিনয় ধরতে পারে না। সে সত্যি সত্যি ভালোবেসে ফেলে রণবীরকে। এক পর্যায়ে রণবীর আর জাজের এনগেজমেন্ট হয়ে যায়। এরপর অনেক নাটকীয় ঘটনার পর রণবীর সাহিবা ও দালজিত আবার দেশে নিজের গ্রামে ফিরে আসে। পরিস্থিতির কারণে সাহিবা দালজিতকে চরম বিপদ থেকে বাঁচাতে রণবীরকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়। কিন্তু সাহিবার গর্ভে তখন চলে এসেছে দালজিতের সন্তান। নাটকীয়তা চরমে পৌঁছে এভাবেই এগিয়ে চলেছে ‘রাব সে সোনা ইশক’ সিরিয়ালের গল্প। সাহিবা চরিত্রে চমত্কার অভিনয়ের সুবাদে ইতোমধ্যে ঘরে ঘরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী একতা কাউল। রণবীর ও দালজিত চরিত্রে অভিনয় করছেন যথাক্রমে আশীষ শর্মা ও কানন মালহোত্রা। এ ছাড়া অন্যান্য চরিত্রে রূপদান করছেন সুকৃতি কাণ্ডপাল, নেহা জনপণ্ডিত, সোনাল ভেনগুরলেকার, সঞ্জয় স্বরাজ, আয়ান ভেদ প্রমুখ। জিটিভিতে সপ্তাহের প্রতি সোম থেকে শুক্রবার রাত সাড়ে আটটায় ‘রাব সে সোনা ইশক’ সিরিয়ালটি দেখানো হয়।