গুরুদাসপুরে ছাত্রী অপহরণ মামলা করায় বিপাকে বাদী

নাটোরের গুরুদাসপুরে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৩) অপহরণের একমাস পরেও উদ্ধার হয়নি। এনিয়ে পৌরসভার গাড়িষাপাড়া মহল্লার শামীমসহ (৩০) ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলা হয়েছে। ওই ছাত্রীর ভাই আয়ুব আলী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এদিকে অপহরণ মামলা থেকে রক্ষা পেতে অভিযুক্ত শামীমকে গুম করার অভিযোগ এনে আদালতে একটি পাল্টা মামলা দায়ের করেন শামীমের স্ত্রী জেসমিন। ওই মামলায় অপহূতের ভাই আয়ুব আলীসহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। দুটি মামলাই তদন্ত করছে গুরুদাসপুর থানা পুলিশ। মামলার নথি, থানা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গাড়িষাপাড়া মহল্লার আক্কাছ মোল্লার ছেলে শামীম (৩০) ঘরে স্ত্রী-সন্তান থাকার পরও প্রতিবেশী ওই ছাত্রীকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করত। এনিয়ে শামীমকে কয়েকবার সতর্ক করা হয়। ১ ফেব্রুয়ারি ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে শামীম ও তার সহযোগিরা। অপরদিকে শামীমের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করার তিন সপ্তাহ পর শামীমকে গুম করার অভিযোগে পাল্টা একটি মামলা দায়ের করে শামীমের স্ত্রী জেসমিন। অপহরণ মামলার বাদী আয়ুব আলী জানান, অপহরণ মামলা থেকে বাঁচতেই তাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মিথ্যা গুম মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে শামীমের স্ত্রী জেসমিন দাবি করেন, প্রায় এক মাস ধরে তার স্বামী নিখোঁজ থাকায় তিনি মামলা করেছেন।গুরুদাসপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. মফিজুল হক জানান, পুলিশ দুটি মামলার তদন্তসহ ভিকটিমকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে গুমের মামলাটি উদ্দেশ্যমূলক।