সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৪১

সিরিয়ায় স্কাড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বিধ্বস্ত কয়েকটি স্থান পরিদর্শনের পর এ মন্তব্য মানবাধিকার সংস্থা ‘এইচআরডব্লিউ’র এক গবেষকের। গত সপ্তাহের এ হামলায় শিশুসহ ১৪১ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোসহ উত্তরের ৪টি এলাকায় গত সপ্তাহে স্কাড-ধাঁচের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৭১জন শিশুসহ ১৪১জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ(এইচআরডব্লিউ)। নিউইয়র্কভিত্তিক এইচআরডব্লিউ’র নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও জরুরি বিভাগের গবেষক ওলে সোলভাং ৪টি হামলাস্থল পরিদর্শনের পর বলেছেন, “আমি সিরিয়ায় বহু হামলাস্থলে গেছি। কিন্তু এমন ধ্বংসযজ্ঞ কখনো দেখিনি।” মানুষ যখন সিরিয়া পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে না যাওয়ার চিন্তা করছে ঠিক সে সময়ই সিরিয়া সরকার আরো বেশি হত্যাযজ্ঞের উপায় খুঁজছে, বলেন তিনি। সিরিয়ার তথ্যমন্ত্রী ওমরান আল জোয়াবি অবশ্য রবিবার বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে স্কাড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। রাশিয়ার টুডে অ্যারাবিক ওয়েবসাইটে একথা বলা হয়। সিরিয়ায় প্রায় দু’বছরের লড়াই-সংঘর্ষে সরকারি বাহিনী প্রধান প্রধান শহরগুলোয় বিদ্রোহী তত্পরতা নিয়ন্ত্রণে আনতে আবাসিক এলাকাগুলোতে ট্যাংক, গোলা-বারুদ ব্যবহার করাসহ বিমান হামলাও চালিয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী দেশটিতে চলমান লড়াইয়ে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। এইচআরডব্লিউ’র বিবৃতিতে বলা হয়, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো জায়গাগুলোতে কোনো যোদ্ধা বা বিদ্রোহী ঘাঁটির চিহ্ন দেখা যায়নি। সেসব জায়গায় কেবলই বেসামরিক নাগরিকদের বাস। আর সে কারণে ওই সমস্ত জায়গায় এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বেআইনি।