রাজধানীতে দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধের গ্রেনেড!
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৩০
রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলের পাশ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার একটি অবিস্ফোরিত তাজা গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে। রূপসী বাংলা হোটেলের পাশ থেকে এ গ্রেনেড উদ্ধারের ঘটনায় রাজধানীতে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রায় ২ ঘন্টা চেষ্টা করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল টিম গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করে। তারা জানান, এই গ্রেনেডটি ৭৩ বছর আগে ১৯৪০ সালের তৈরি। এই ধরনের গ্রেনেড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মান বাহিনী ব্যবহার করেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের একটি টহল টিম রূপসী বাংলা হোটেল সংলগ্ন মেঘনা পেট্রোল পাম্পের বিপরীত পাশে গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে রাস্তার ফুটপাতে বোমা সদৃশ বস্তু দেখে পুলিশের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে অবহিত করে। পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের ইনচার্জ ছানোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমা সদৃশ ওই বস্তুকে গ্রেনেড হিসাবে শনাক্ত করে। সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় চলাচলকারী লোকজনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ঐ এলাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় ট্রাফিক পুলিশ। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরসহ আশেপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে শ’ শ’ জনতা ভিড় জমায়।
গ্রেনেড উদ্ধারস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ ও জয়েন্ট কমিশনার (ডিবি) মনিরুল ইসলাম। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মহানগর পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, গ্রেনেডের ধরন দেখে মনে হয়েছে এটি অনেক পুরনো মডেলের। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন এ ধরনের গ্রেনেড ব্যবহূত হয়েছে। বর্তমানে এটির ব্যবহার নেই বললেই চলে। আমার ধারণা, আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য কোন পক্ষ এই গ্রেনেডটি রাস্তার ফুটপাথের একটি গর্তে রেখেছিল।