রাজধানীর ৫শ’ পয়েন্টে
সতর্ক প্রহরায় ছিল ১৪
দলের নেতা-কর্মীরা
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৩৭
রাজধানীর ৫শ পয়েন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসহ ১৪ দলের নেতা-কর্মীরা সতর্ক প্রহরায় ছিল। হরতাল এবং যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে গতকাল জামায়াত-শিবির যাতে কোনো ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। বেলা বাড়ার সাথে সাথে হরতালবিরোধী শতাধিক মিছিলে রাজপথ সরব হয়ে ওঠে। অনেক স্থানে তারা হরতালবিরোধী সমাবেশও করেছে। কয়েকটি স্থানে ট্রাক ও মটর সাইকেল শোভাযাত্রাও বের হয়। আর এসব হরতালবিরোধী কর্মসূচিতে সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গতকাল সকাল থেকে হরতালবিরোধী মিছিল বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আসতে থাকে। এ সময় আওয়ামী সমর্থক গোষ্ঠীর ব্যানারে ২২টি সংগঠন হরতালবিরোধী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এসব কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি-জামায়াত পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মতো জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না। মানববন্ধনে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, সহ-সভাপতি মুকুল চৌধুরী, ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদসহ নগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও কৃষক লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে পুরান ঢাকা, সদরঘাট, কারওয়ান বাজার, মহাখালী ওয়ারলেস গেট এলাকায় গতকাল মিছিল করেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ঘাট শ্রমিক ইউনিয়ন ও বঙ্গবন্ধু কৃষি পরিষদ। বঙ্গবন্ধু কৃষি পরিষদ সকালে কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনের সামনে থেকে লাঠি মিছিল বের করে। যুবলীগ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ঘাট শ্রমিক ইউনিয়ন সকালে সদরঘাট এলাকা থেকে একটি লাঠি মিছিল বের করে। মহাখালী এলাকায় ছাত্রলীগের তিতুমীর কলেজ শাখার নেতা-কর্মীরা দিনব্যাপী হরতালবিরোধী মিছিল চালিয়ে যায়। এছাড়াও বংশাল ও কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগ যৌথভাবে একটি হরতালবিরোধী মিছিল বের করে।