ভারত-ইংল্যান্ড
স্পোর্টস ডেস্ক
ভারত সর্বশেষ বিশ্বকাপ জিতেছিল ২০১১ সালে। সেবার বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন যুবরাজ সিং। দুয়ারে যখন আরেকটি বিশ্বকাপ তখন তাই এই যুবরাজ যা বলছেন, তাকে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়াটা বাধ্যতামূলক। এবারের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে যুবি নিজের দুই ফেবারিট দলের নাম জানিয়েছেন। আর অনুমিতভাবেই সেই দল দুটি হলো: ভারত ও ইংল্যান্ড।
একটি প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে যুবরাজ বিশ্বকাপ নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেন। তিনি অবশ্য ভারত-ইংল্যান্ডের সাথে বড় সুযোগ দেখছেন অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও। যুবরাজ বলেন, ‘আমার প্রথম দুই ফেবারিট দল হলো ইংল্যান্ড ও ভারত। আর যেহেতু (ডেভিড) ওয়ার্নার ও (স্টিভেন) স্মিথ ফিরেছেন (বল টেম্পারিংয়ের দায়ে নিষেধাজ্ঞা শেষ করে) তাই অস্ট্রেলিয়াকেও এই তালিকায় রাখতে হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলটাও বেশ শক্তিশালী। তবে এমন একটা টুর্নামেন্টের আগে আসলে খুব বেশি কিছু বলার থাকে না। তবে ইংল্যান্ড আর ভারত সবার ওপরে থাকবে। এরপরই থাকবে অস্ট্রেলিয়া। এরপর কে? সময় যাক, কিছুদিন পর বলি।’
যুবরাজ সর্বশেষ ২০১৭ সালে ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেন। বিশ্বকাপের তিনি ভারতের হয়ে বড় সম্ভাবনা দেখছেন হার্দিক পান্ডিয়ার। চলতি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) এই অলরাউন্ডার ৩৭৩ রানের সাথে ১২টি উইকেটও পেয়েছেন। যুবরাজ বলেন, ‘এখন পান্ডিয়া যেভাবে ব্যাট করছে, সেটা যদি বিশ্বকাপেও ধরে রাখতে পারে তাহলে আমাদের জন্য দারুণ একটা ব্যাপার হবে। ওর বোলিংটাও দারুণ। তবে, বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো চাপ নেওয়ার ক্ষমতা। আশাকরি হার্দিকের সামনে দারুণ একটা টুর্নামেন্ট অপেক্ষা করছে।’
বিশ্বকাপ শুরু হবে আগামী ৩০ মে। ভারতের বিশ্বকাপ মিশন অবশ্য একটু পরে শুরু হবে। আগামী পাঁচ জুন ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের প্রথম প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। যুবরাজ সিং মনে করেন এবারের বিশ্বকাপে ভারতকে নির্ভর করতে হবে নিজেদের ব্যাটসম্যানদের ওপর। কারণ কম বেশি সব ব্যাটসম্যানই এই মুহূর্তে ভালো ফর্মে আছেন। তিনি বলেন, ‘এমএস (ধোনি) এখন ভালো ফর্মে আছেন। রোহিত (শর্মা) দারুণ ব্যাটে-বলে করতে পারছেন। একই কথা বিরাট কোহলি কিংবা শিখর ধাওয়ানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাই বলা যায়, বিশ্বকাপ দলে থাকা ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যাটসম্যানই এখন সেরা সময় কাটাচ্ছেন। ছয়ে ব্যাট করেন কেদার যাদব। যদিও আমি মনে করি ওর আরো সুযোগ পাওয়া দরকার। কিন্তু কি আর করার, আগের সবাই তো ভালো করছেন। এটুকুতেই বোঝা যায়, ভারতের ব্যাটিং নিয়ে আশাবাদী হওয়ার এখন যথেষ্ট কারণ আছে।’