কোলেস্টেরল
নিয়ন্ত্রণে
রাখুন
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০১৩, ২১:৩৩
হার্ট এ্যাটাক নিয়ে উদ্বিগ্ন নন এমন পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া যাবে না। অথচ সচেতন হলে অনেক ক্ষেত্রে হার্ট এ্যাটাক রোধ করা যায়। শরীরের অন্যতম ভাইটাল অরগান হার্ট। হার্টের রক্তনালীতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়া বা রক্তনালী সরু হওয়ার কারণে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় মূলত হার্ট এ্যাটাক হতে পারে। আর এ ক্ষেত্রে রক্তের কোলেস্টেরল হার্ট এ্যাটাকের জন্য অনেক ক্ষেত্রে দায়ী। কারণ যার রক্তে যত বেশি পরিমাণ কোলেস্টেরল থাকে তার হার্টের রক্তনালীতে কোলেস্টেরল জমে প্ল্যাক তৈরি হয় তত বেশি। আর এই প্ল্যাক হচ্ছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হার্টের করনারী ধমনীর ভিতরের দেয়ালে চর্বি জমে যাওয়া। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে যার হার্টের রক্তনালীতে চর্বি বেশি জমবে তার আকস্মিক হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি তত বেশি। তাই হার্ট এ্যাটাকের হাত থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য অবশ্যই রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়াম সবচেয়ে ভালো। পাশাপাশি কোলেস্টেরল যদি নিয়ন্ত্রণে না রাখা যায় তাহলে অবশ্যই কোন চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তের কোলেস্টেরল স্বাভাবিক মাত্রায় রাখতে ওষুধ সেবন করা উচিত। রক্তের স্বাভাবিক টোটাল কোলেস্টেরল ১৫০, ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএল ৩৫ ভাগের বেশি, খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএল ১০০-এর নীচে এবং ভাসমান চর্বি ট্রাইগ্লিসারাইড ১৫০ মাত্রার নীচে থাকা স্বাভাবিক।