শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে গঠনবাদী শিখন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে
প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০১৩, ১৮:০২
লায়ন এম কে বাশার
পিএমজেএফ, চেয়ারম্যান
বিএসবি ফাউন্ডেশন ও ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা
কালের আবর্তে সমাজের পরিবর্তন ঘটছে। তাছাড়া জ্ঞান বিজ্ঞান প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন চলছে। এসবের ফলে শিখন প্রণালী ও পরিবর্তিত হচ্ছে। যুগোপযোগী শিক্ষা প্রদান ও গ্রহণই কেবল জাতিকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে নিয়ে যেতে পারে। কর্মমুখি ও জীবনধর্মী শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধের জাগরণ ঘটাতে হবে আর ছাত্রসমাজকে দেশের ইতিহাস,ঐতিহ্য ধরে রেখে জ্ঞান চর্চায় ব্রতি হতে হবে। পড়াশোনাটা শুধুমাত্র উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে দেখলে চলবে না। পড়ালেখার মাধ্যমে প্রকৃত জ্ঞান অর্জন করতে হবে যার মাধ্যমে নিজের উন্নতির পাশাপাশি উন্নয়ন হবে পরিবার ,প্রতিবেশি, সমাজ আর রাষ্ট্রের । তাই শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও দলগত কাজে নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। মাতৃভাষার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে আধুনিক কর্মক্ষেত্র সৃষ্টিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে দক্ষতা অর্জনে পারষ্পরিক যোগাযোগে তোমাদের ইংরেজির মৌলিক বিষয়াবলি শিখনে মনোযোগী হতে হবে। পরিবর্তিত সমাজ ব্যবস্থার সঙ্গে চলতে আমাদের বিজ্ঞান মনষ্ক শিক্ষায় দক্ষ হয়ে গড়ে উঠতে হবে। গাণিতিক যুক্তি,পদ্ধতি ও প্রায়োগিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তাতে করে আত্মবিশ্বাসী, উত্পাদনশীল ও সৃজনশীল হতে পারবে। আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে প্রকৃত শিক্ষার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। মুখস্ত নির্ভরতা পরিহার করতে হবে, না বুঝে পড়া কোন শিক্ষা নয়। ছাত্র শিক্ষক সমন্বয়ে গড়ে তুলতে হবে এ শিক্ষা। শিক্ষার গুনগত মানের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে সর্বাগ্রে। শিক্ষকগণ সযত্ন লালনে গড়ে তুলবেন তাদের। এজন্যে আদর্শ শিক্ষকের গুনাবলিতে সমুন্নত থাকতে হবে এ সমাজকে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী যেন সকল প্রকার ভয়ভীতির উর্ধ্বে থাকে সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে শিক্ষকদের। শিক্ষকের দৃঢ় আস্থা থাকতে হবে তাঁর সকল শিক্ষার্থী শেখার সামর্থ্য সম্পন্ন। সবার গতি প্রকৃতি এক নয়। উপযুক্ত পরিবেশ ও সহযোগিতা পেলে সবাই শিখতে পারে। তাই শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে গঠনবাদী শিখন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।