নাগেশ্বরীতে ২০ হাজার লোকের ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো

নাগেশ্বরীতে ২০ হাজার লোকের ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো। দু’পাশে সংযোগ সড়ক থাকলেও স্বাধীনতার ৪২ বছরেও নির্মিত হয়নি সেতু। উপজেলার কেদার ইউনিয়নের সাতানা গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভারতের আসাম রাজ্য থেকে নেমে আসা সংকোষ নদীর কারণে কচাকাটার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন সীমান্তের আটটি গ্রামসহ কচাকাটা বিজিবি ক্যাম্প। প্রতিবছর শুকনো মৌসুমে স্থানীয়রা নিজেদের প্রয়োজনে নির্মাণ করে বাঁশের সাঁকো। এটি ধরে যাতায়াত করে কেদার ইউনিয়নের সাতানা, টাপুরচর, কচাকাটা ইউনিয়নের ঝিনঝিরা বালারচর, নওদাপাড়া, প্রধানীটারী, বড় ছড়ারপাড়, পোল্লাকান্দি ও সরকারটারী গ্রামের বিভিন্ন পেশার প্রায় ২০ হাজার মানুষ। বর্ষা এলে তাদের ভোগান্তি বাড়ে। জরুরি চিকিত্সা সেবার প্রয়োজনে দ্রুত ডাক্তার বা রোগীকে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্টে নদী পাড়ি দিয়ে কচাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দাখিল মাদ্রাসা, ডিগ্রী কলেজে পাঠ গ্রহণ করতে যায়। সমস্যায় পড়েন কচাকাটা বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরাও। সীমান্ত এলাকা টহল দিতে বারবার তাদেরকে নদী পারাপার করতে হয়।