সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়িতে শোকের মাতম

ইত্তেফাক ডেস্ক

সৌদী আরবে গত ২ মে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর:

নরসিংদী:সৌদি আরবের রিয়াদের শাকরায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে তিনজনের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায়। নিহতরা হলেন মনোহরদীর তাঁরাকান্দি গ্রামের মান্নান মাঝির ছেলে জামাল উদ্দিন মাঝি, তাঁতারদি শেখেরগাঁও এলাকার রশিদুল হকের ছেলে ইমদাদুল হক ও ডোমনমারা খিদিরপুর এলাকার আব্দুল মান্নান শেখের ছেলে মো. আল আমিন। এ তিন প্রবাসীর মৃত্যুতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অসহায় পরিবারগুলো।  একদিকে পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানো অপরদিকে ঋণের বোঝা যেনো মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায় ফেলেছে তাদের।

নওগাঁ:সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দুজন নওগাঁর মান্দা উপজেলার। এরা হলেন মান্দার মো. তফিজ উদ্দিন মৃধার ছেলে গিয়াস উদ্দিন মৃধা এবং তুরুকবাড়িয়া গ্রামের রমজান আলীর ছেলে মো. মানিক।

কালিহাতী (টাঙ্গাইল):নিহতদের মধ্যে দুজনের গ্রামের বাড়ি কালিহাতী উপজেলায়। বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে নিহতদের নাম-ঠিকানা প্রকাশের সাথে সাথেই তাদের গ্রামের বাড়িতে শুরু হয়েছে শোকের মাতম। পরিবার পরিজন ও আত্মীয়দের আহাজারিতে গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। নিহত বাহাদুরের বাড়ি কালিহাতী সদরের ঝগড়মান গ্রামে। তার বাবার নাম হাফিজ উদ্দিন। বাহাদুর ছিলেন তাদের প্রতিবন্ধী পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার বাবা, স্ত্রী, একমাত্র মেয়ে ও এক বোন শারীরিক প্রতিবন্ধী। মা মালেকা বেগমও অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় পড়া। বাহাদুর একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। নিহত অপরজনের নাম মনির হোসেন। তার বাড়ি বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের কস্তুরিপাড়া গ্রামে। মনিরের বাবার নাম শামসুল হক।

ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ):সৌদিতে নিহত ফুলবাড়িয়ার ইউনুসের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আ. খালেকের পাঁচ মেয়ের মধ্যে একমাত্র ছেলে ইউনুস। তিন সন্তানের জনক ইউনুস জমি বিক্রি করে সৌদি আরব গিয়েছিলেন এক মাস আগে।